ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি সাশ্রয়ে রাজধানীতে শুরু হলো পরীক্ষামূলক অনলাইন ক্লাস

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও সাশ্রয়ী নীতি অনুসরণের অংশ হিসেবে রাজধানীর কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়েছে। রোববার সকালে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভার্চুয়ালি পাঠদানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। শিক্ষকেরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষার্থীদের পাঠদান পরিচালনা করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আপাতত মহানগরীর স্কুল-কলেজগুলোতে পাইলট প্রকল্পের আওতায় এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, সপ্তাহে তিন দিন (রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার) অনলাইনে এবং বাকি তিন দিন সরাসরি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানীর কয়েকটি স্বনামধন্য স্কুলকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। যদি এই পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা সফল হয়, তবে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এটি কার্যকর করার চিন্তাভাবনা রয়েছে। এই পদ্ধতির ফলে একদিকে যেমন জ্বালানি সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে শিক্ষা ব্যবস্থায় ডিজিটালাইজেশনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরের গুরুদাসপুরে কলেজে কাফনের কাপড় পার্সেল, শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক

জ্বালানি সাশ্রয়ে রাজধানীতে শুরু হলো পরীক্ষামূলক অনলাইন ক্লাস

আপডেট সময় : ০২:৫৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও সাশ্রয়ী নীতি অনুসরণের অংশ হিসেবে রাজধানীর কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়েছে। রোববার সকালে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভার্চুয়ালি পাঠদানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। শিক্ষকেরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষার্থীদের পাঠদান পরিচালনা করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আপাতত মহানগরীর স্কুল-কলেজগুলোতে পাইলট প্রকল্পের আওতায় এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, সপ্তাহে তিন দিন (রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার) অনলাইনে এবং বাকি তিন দিন সরাসরি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানীর কয়েকটি স্বনামধন্য স্কুলকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। যদি এই পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা সফল হয়, তবে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এটি কার্যকর করার চিন্তাভাবনা রয়েছে। এই পদ্ধতির ফলে একদিকে যেমন জ্বালানি সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে শিক্ষা ব্যবস্থায় ডিজিটালাইজেশনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।