ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বাকেরগঞ্জে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী-শিশুসহ ১১ জন আহত

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। গত রবিবার ও সোমবার, দুই দিনে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়ন এবং পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ করে উন্মত্ত হয়ে ওঠা একটি কুকুর পথচারীদের ওপর আক্রমণ চালালে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে ভরপাশা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লা বাড়ির সামনে আলমগীর মোল্লার দুই সন্তান—আবির (৯) এবং হামিদা (২)—কুকুরটির কামড়ে আহত হয়।

পরে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে তানিয়া এবং আশা মনি নামের আরও দুই শিশুকে কামড় দেয় কুকুরটি। অল্প সময়ের মধ্যেই এটি আশপাশের কয়েকটি বাড়িতে ঢুকে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই আক্রমণ করে। এতে দুই দিনে নারী ও শিশুসহ মোট ১১ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্তদের দ্রুত রেবিস প্রতিরোধ টিকা দেওয়া হয়েছে এবং সবাইকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এদিকে, সোমবার রাত ৯টার দিকে স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে কুকুরটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে, এতে এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ধরনের ঘটনা এড়াতে ভবঘুরে কুকুর নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি কুকুরে কামড়ালে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার জন্য সবাইকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূমধ্যসাগরে মৃত্যুঝুঁকি ও লিবিয়ার ‘গেম ঘরে’ বন্দি বাংলাদেশিরা

বাকেরগঞ্জে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী-শিশুসহ ১১ জন আহত

আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। গত রবিবার ও সোমবার, দুই দিনে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়ন এবং পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ করে উন্মত্ত হয়ে ওঠা একটি কুকুর পথচারীদের ওপর আক্রমণ চালালে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে ভরপাশা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লা বাড়ির সামনে আলমগীর মোল্লার দুই সন্তান—আবির (৯) এবং হামিদা (২)—কুকুরটির কামড়ে আহত হয়।

পরে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে তানিয়া এবং আশা মনি নামের আরও দুই শিশুকে কামড় দেয় কুকুরটি। অল্প সময়ের মধ্যেই এটি আশপাশের কয়েকটি বাড়িতে ঢুকে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই আক্রমণ করে। এতে দুই দিনে নারী ও শিশুসহ মোট ১১ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্তদের দ্রুত রেবিস প্রতিরোধ টিকা দেওয়া হয়েছে এবং সবাইকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এদিকে, সোমবার রাত ৯টার দিকে স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে কুকুরটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে, এতে এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ধরনের ঘটনা এড়াতে ভবঘুরে কুকুর নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি কুকুরে কামড়ালে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার জন্য সবাইকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।