ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

কাটলো অনিশ্চয়তা: এসএসসি পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাচ্ছে ফেনীর সেই ৯২ শিক্ষার্থী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯২ জন শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পথ অবশেষে সুগম হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহকারীর অবহেলায় বোর্ড ফি জমা না হওয়ায় এসব শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আসা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। সোমবার (১৩ এপ্রিল) জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সব জটিলতা কাটিয়ে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের বোর্ড ফি বাবদ সংগৃহীত ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার দায়িত্ব ছিল বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মিহির চন্দ্র শীলের ওপর। তবে তিনি সেই টাকা বোর্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও প্রধান শিক্ষক বিষয়টি তদারকি না করায় প্রবেশপত্র আসার সময় হলে এই জালিয়াতি ধরা পড়ে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জরুরি সভা ডেকে কোচিংয়ের তহবিল থেকে প্রয়োজনীয় টাকা সংগ্রহ করে দ্রুত কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার পর শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী ২১ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া পরীক্ষায় বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের এই শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে মতপার্থক্য

কাটলো অনিশ্চয়তা: এসএসসি পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাচ্ছে ফেনীর সেই ৯২ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ১০:৫৯:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯২ জন শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পথ অবশেষে সুগম হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহকারীর অবহেলায় বোর্ড ফি জমা না হওয়ায় এসব শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আসা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। সোমবার (১৩ এপ্রিল) জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সব জটিলতা কাটিয়ে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের বোর্ড ফি বাবদ সংগৃহীত ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার দায়িত্ব ছিল বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মিহির চন্দ্র শীলের ওপর। তবে তিনি সেই টাকা বোর্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও প্রধান শিক্ষক বিষয়টি তদারকি না করায় প্রবেশপত্র আসার সময় হলে এই জালিয়াতি ধরা পড়ে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জরুরি সভা ডেকে কোচিংয়ের তহবিল থেকে প্রয়োজনীয় টাকা সংগ্রহ করে দ্রুত কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার পর শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী ২১ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া পরীক্ষায় বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের এই শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে।