লালবাগ থানায় আশরাফুল হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আদালত জামিন ও রিমান্ড উভয় আবেদন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এই আদেশের পর আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা আদালত চত্বরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন।
মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখ নেই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত তদন্ত কর্মকর্তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং তার জামিনের আবেদনও খারিজ করে দেন। এরপর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পুলিশ শিরীন শারমিনকে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ঘিরে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে থাকেন এবং ‘শিরীন শারমিন ভয় নাই, রাজপথ ছাড়িনাই’ বলেও স্লোগান দেন।
এর আগে সোমবার (তারিখ উল্লেখ নেই) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করা হয়। আজ তাকে সিএমএম আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে জানান, শিরীন শারমিন চৌধুরী রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামলার পলাতকদের বিষয়ে তথ্য দিতে এড়িয়ে গেছেন। তদন্তের স্বার্থে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে, তাই দুই দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, শিরীন শারমিন এই মামলার ৩ নম্বর আসামি। তিনি ২৪-এর আন্দোলনের সময় ফ্যাসিস্টের সহকারী ছিলেন এবং বিনা ভোটের এমপি ছিলেন। আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত এবং হত্যাকাণ্ড চালানোর নির্দেশদাতাদের খুঁজে বের করার জন্য তদন্তের স্বার্থে তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার মামুন রিমান্ড বাতিলের আবেদন জানিয়ে বলেন, শিরীন শারমিন নিজেই পদত্যাগ করেছিলেন এবং তার এজাহারে ৩ নম্বর আসামি হিসেবে দেখানো ছাড়া আর কোনো তথ্য নেই। মামলাটি ২৫ মে দায়ের করা হলেও ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে ১৮ জুলাই, যা ১০ মাস ৭ দিন পরের। তিনি একজন নারী এবং ক্লিন ইমেজের মানুষ, তাই রিমান্ডের প্রয়োজন নেই বলে তিনি যুক্তি দেন।
রিপোর্টারের নাম 
























