আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে বাতিল হওয়া অধ্যাদেশগুলো পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই করা হবে। যারা শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বা বিচারক নিয়োগে স্বচ্ছতার অভাবের কথা বলছেন, তাদের জন্য এটি একটি স্পষ্ট বার্তা। বিএনপি তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এই আইনগুলোকে আরও বেশি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং যুগোপযোগী করতে চায়। জনগণের যেকোনো যৌক্তিক দাবি বিএনপির কাছে সর্বোচ্চ বিবেচনার দাবি রাখে।
রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী আরও জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের বিধান মোতাবেক সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকার কারণে, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক জারিকৃত ১৩৩টি অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছিল। উপস্থাপনের পর উক্ত অধ্যাদেশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য জাতীয় সংসদ সর্বসম্মতিক্রমে গঠিত সংসদীয় বিশেষ কমিটির কাছে প্রেরণ করে। বিশেষ কমিটি প্রতিবেদন দাখিলের পর সংসদে সেগুলোর ওপর প্রাণবন্ত আলোচনা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 



















