ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

শিরীন শারমিনের শুনানিতে আইনজীবীদের হট্টগোল, বিচারকের ওপর সাংবাদিকদের ক্ষোভ

ঢাকার আদালতে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড শুনানিকেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে বিচারক সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন, যা নিয়ে তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে এই ঘটনা ঘটে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শিরীন শারমিনের ২ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদেশ ঘোষণার পরপরই আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এজলাসের ভেতর হট্টগোল শুরু করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পুরো পরিস্থিতিতে বিচারককে এজলাসে নির্লিপ্তভাবে বসে থাকতে দেখা যায়।

আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়ে বিচারক আদালতে পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং তাদের এজলাস থেকে বের করে দেন। এসময় মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি এডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই সাংবাদিকদের সঙ্গে এমন আচরণে আদালতে উপস্থিত আইনজীবী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিচারিক পরিবেশে এমন পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাহাজ ভাঙা শিল্পের সমিতি বিএসবিআরএ’র নির্বাচন আবারও স্থগিত

শিরীন শারমিনের শুনানিতে আইনজীবীদের হট্টগোল, বিচারকের ওপর সাংবাদিকদের ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকার আদালতে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড শুনানিকেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে বিচারক সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন, যা নিয়ে তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে এই ঘটনা ঘটে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শিরীন শারমিনের ২ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদেশ ঘোষণার পরপরই আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এজলাসের ভেতর হট্টগোল শুরু করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পুরো পরিস্থিতিতে বিচারককে এজলাসে নির্লিপ্তভাবে বসে থাকতে দেখা যায়।

আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়ে বিচারক আদালতে পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং তাদের এজলাস থেকে বের করে দেন। এসময় মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি এডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই সাংবাদিকদের সঙ্গে এমন আচরণে আদালতে উপস্থিত আইনজীবী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিচারিক পরিবেশে এমন পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।