ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি সংকট নেই, তবে সরবরাহে কিছুটা সমস্যা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে যে ভীতি বা সংশয় তৈরি হয়েছে, পরিস্থিতি আসলে ততটা খারাপ নয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, জ্বালানি তেল সরবরাহে কিছুটা সমস্যা বিদ্যমান।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অনেকে ধারণা করছেন দেশে পেট্রোল, অকটেন বা অন্যান্য জ্বালানির সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে গেছে এবং দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি এই ধারণাকে পুরোপুরি সঠিক নয় বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, ২০২৫ এবং ২০২৬ সালের মার্চ মাসের জ্বালানি সরবরাহের পরিসংখ্যান তুলনা করলে দেখা যায়, ডিজেলে কিছুটা ঘাটতি থাকলেও তা খুব তাৎপর্যপূর্ণ নয়। অকটেনের সরবরাহ বরং বেড়েছে। তবে পেট্রোলের সরবরাহ গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে, যা প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। এই পরিস্থিতিকে তিনি বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অস্বাভাবিক মনে করেন না।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি অবৈধ মজুত এবং বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। সীমান্ত এলাকার বাড়িঘর বা বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পণ্য মজুত থাকা পাচারের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় জ্বালানির দাম কম হলে পাচারের ঝুঁকি থাকে। তবে এর চেয়েও বড় কারণ হলো মানুষের মধ্যে ভবিষ্যতের শঙ্কা থেকে অতিরিক্ত মজুত করার প্রবণতা, যা মূলত প্যানিক বায়িং বা আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটার ফল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিকিৎসার খোঁজে নিজেই প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে হাজির অসুস্থ কাক!

জ্বালানি সংকট নেই, তবে সরবরাহে কিছুটা সমস্যা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৩:৪১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে যে ভীতি বা সংশয় তৈরি হয়েছে, পরিস্থিতি আসলে ততটা খারাপ নয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, জ্বালানি তেল সরবরাহে কিছুটা সমস্যা বিদ্যমান।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অনেকে ধারণা করছেন দেশে পেট্রোল, অকটেন বা অন্যান্য জ্বালানির সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে গেছে এবং দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি এই ধারণাকে পুরোপুরি সঠিক নয় বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, ২০২৫ এবং ২০২৬ সালের মার্চ মাসের জ্বালানি সরবরাহের পরিসংখ্যান তুলনা করলে দেখা যায়, ডিজেলে কিছুটা ঘাটতি থাকলেও তা খুব তাৎপর্যপূর্ণ নয়। অকটেনের সরবরাহ বরং বেড়েছে। তবে পেট্রোলের সরবরাহ গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে, যা প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। এই পরিস্থিতিকে তিনি বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অস্বাভাবিক মনে করেন না।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি অবৈধ মজুত এবং বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। সীমান্ত এলাকার বাড়িঘর বা বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পণ্য মজুত থাকা পাচারের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় জ্বালানির দাম কম হলে পাচারের ঝুঁকি থাকে। তবে এর চেয়েও বড় কারণ হলো মানুষের মধ্যে ভবিষ্যতের শঙ্কা থেকে অতিরিক্ত মজুত করার প্রবণতা, যা মূলত প্যানিক বায়িং বা আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটার ফল।