ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সংসদে সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্যে বিএনপি-দলীয় এমপির তীব্র সমালোচনা

কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী সংসদে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, মন্ত্রী আগের সরকারের আমলের মতোই বক্তব্য দিয়েছেন এবং যারা টাকা লুণ্ঠন করেছে তাদের দেওয়া তথ্যই পড়ে শুনিয়েছেন।

এর আগে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এবং কুমিল্লা-নোয়াখালী সংযোগস্থলের অবৈধ ব্যারিকেড স্থাপন, টমছম ব্রিজসহ সাতটি স্থানে আন্ডারপাস নির্মাণ এবং সার্ভিসলেন নির্মিত না হওয়ায় স্থানটি মরনফাঁদে পরিণত হওয়ার বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন মনিরুল হক চৌধুরী। জবাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বাজেট না বাড়িয়ে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ বাদ দিয়ে পূর্তকাজ বাড়ানোর উদ্যোগ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ১০ লেনে উন্নীতকরণে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান।

মন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, এই বক্তব্যে তিনি অত্যন্ত হতাশ হয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে ৭০০ কোটি টাকার স্থলে ১৫০০ কোটি খরচ হওয়ার পরও আন্ডারপাস ও ওভারপাস কোথায় গেল এবং অনুমোদিত ওভারপাস কেন হলো না। তিনি ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর থেকে এ পর্যন্ত নিহত ব্যক্তিদের কোনো ক্ষতিপূরণ না দেওয়ারও অভিযোগ করেন।

জবাবে মন্ত্রী জানান, প্রকল্পটি আগে থেকেই বাস্তবায়নাধীন রয়েছে এবং তারা নকশা সম্প্রসারণ ও বাজেট সমন্বয় করে কাজ করছেন। তিনি আরও বলেন, ১০ লেন করার প্রকল্পে পদুয়া বাজার এলাকার দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফুটবল বিশ্বকাপের লড়াই শুরু আজ, চোখ এখন ৪৮ দেশের মহাযুদ্ধে

সংসদে সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্যে বিএনপি-দলীয় এমপির তীব্র সমালোচনা

আপডেট সময় : ০৭:০৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী সংসদে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, মন্ত্রী আগের সরকারের আমলের মতোই বক্তব্য দিয়েছেন এবং যারা টাকা লুণ্ঠন করেছে তাদের দেওয়া তথ্যই পড়ে শুনিয়েছেন।

এর আগে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এবং কুমিল্লা-নোয়াখালী সংযোগস্থলের অবৈধ ব্যারিকেড স্থাপন, টমছম ব্রিজসহ সাতটি স্থানে আন্ডারপাস নির্মাণ এবং সার্ভিসলেন নির্মিত না হওয়ায় স্থানটি মরনফাঁদে পরিণত হওয়ার বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন মনিরুল হক চৌধুরী। জবাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বাজেট না বাড়িয়ে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ বাদ দিয়ে পূর্তকাজ বাড়ানোর উদ্যোগ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ১০ লেনে উন্নীতকরণে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান।

মন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, এই বক্তব্যে তিনি অত্যন্ত হতাশ হয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে ৭০০ কোটি টাকার স্থলে ১৫০০ কোটি খরচ হওয়ার পরও আন্ডারপাস ও ওভারপাস কোথায় গেল এবং অনুমোদিত ওভারপাস কেন হলো না। তিনি ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর থেকে এ পর্যন্ত নিহত ব্যক্তিদের কোনো ক্ষতিপূরণ না দেওয়ারও অভিযোগ করেন।

জবাবে মন্ত্রী জানান, প্রকল্পটি আগে থেকেই বাস্তবায়নাধীন রয়েছে এবং তারা নকশা সম্প্রসারণ ও বাজেট সমন্বয় করে কাজ করছেন। তিনি আরও বলেন, ১০ লেন করার প্রকল্পে পদুয়া বাজার এলাকার দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।