ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি চাকরি (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাসে সংসদে তোলপাড়

সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলন দমনে শাস্তির বিধান রেখে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বিলটি উত্থাপন করেন এবং কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়। এই বিলের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একটি অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হতে যাচ্ছে।

পাস হওয়া বিলে, সরকারি কর্মচারীদের চারটি বিষয়কে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: আনুগত্যের পরিপন্থী কাজ করা, অন্যদের আনুগত্যে বিঘ্ন ঘটানো বা শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণ হওয়া; ছুটি ছাড়া বা যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকা বা কর্তব্য সম্পাদনে ব্যর্থ হওয়া; অন্য কোনো কর্মচারীকে কর্ম থেকে বিরত থাকতে বা কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানি দেওয়া; এবং যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে তার কর্মে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দেওয়া।

এই ধরনের অপরাধের জন্য বরখাস্ত, অব্যাহতি এবং বেতন ও পদের গ্রেড কমিয়ে দেওয়ার মতো শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। বিলটি পাসের সময় বিরোধী দল ভোটদানে বিরত ছিল এবং এর ওপর কোনো আলোচনা হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকার এই অধ্যাদেশ জারির পরদিন প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়সহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছিলেন সরকারি কর্মচারীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইরানকে দমানোর সক্ষমতা নিয়ে ভুল ধারণা পোষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র’

সরকারি চাকরি (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাসে সংসদে তোলপাড়

আপডেট সময় : ০৭:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলন দমনে শাস্তির বিধান রেখে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বিলটি উত্থাপন করেন এবং কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়। এই বিলের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একটি অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হতে যাচ্ছে।

পাস হওয়া বিলে, সরকারি কর্মচারীদের চারটি বিষয়কে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: আনুগত্যের পরিপন্থী কাজ করা, অন্যদের আনুগত্যে বিঘ্ন ঘটানো বা শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণ হওয়া; ছুটি ছাড়া বা যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকা বা কর্তব্য সম্পাদনে ব্যর্থ হওয়া; অন্য কোনো কর্মচারীকে কর্ম থেকে বিরত থাকতে বা কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানি দেওয়া; এবং যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে তার কর্মে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দেওয়া।

এই ধরনের অপরাধের জন্য বরখাস্ত, অব্যাহতি এবং বেতন ও পদের গ্রেড কমিয়ে দেওয়ার মতো শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। বিলটি পাসের সময় বিরোধী দল ভোটদানে বিরত ছিল এবং এর ওপর কোনো আলোচনা হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকার এই অধ্যাদেশ জারির পরদিন প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়সহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছিলেন সরকারি কর্মচারীরা।