বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রবিবার দুপুরে মন্ত্রীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশি সংস্কার, স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ এবং রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। প্রতিনিধিদলের প্রধান, আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার, মন্ত্রীর নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। পুলিশ সংস্কারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার পুলিশ সংস্কারে কাজ করছে, তবে এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। পুলিশের পুনর্গঠন, সংস্কার এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউএনডিপি বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনে সংস্থাটির অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, গত ১৫-১৭ বছর ধরে ইউএনডিপি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে এবং কমিশনের অধ্যাদেশের খসড়া প্রণয়নেও সহযোগিতা করেছে। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলনগুলো এই খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের সঙ্গে স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ সংসদে বিল আকারে পেশ করা হবে।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে আবাসিক প্রতিনিধির এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই অধ্যাদেশটিও যাচাই-বাছাই শেষে সংসদে বিল আকারে পেশ করা হবে। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, অধ্যাদেশটির কিছু সংজ্ঞা এমনভাবে দেওয়া হয়েছে যা গুমের প্রকৃত নির্দেশদাতাদের শনাক্ত করা কঠিন করে তোলে। মন্ত্রী এই প্রসঙ্গে তাঁর নিজের গুমকালীন অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন) তদন্তের ক্ষমতা প্রদান প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, কেবল তদন্তকারী কর্মকর্তাই তদন্ত করতে পারবেন।
রিপোর্টারের নাম 
























