চট্টগ্রামে পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের সিডিএ কর্পোরেট শাখার অর্থ আত্মসাতের একটি মামলায় চার কর্মকর্তাকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রধান আসামি বিজয় কুমার দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া, প্রত্যেককে ১০ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্তদের কারাগারে পাঠানো হয়।
রবিবার (৫ এপ্রিল) চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। আদালত জানায়, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। মামলার নথি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনার পর এ রায় প্রদান করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন জুনিয়র ক্যাশ অফিসার মো. রাজিবুর রহমান, আর্মড গার্ড মো. আশিকুর রহমান, মো. তানজুর রহমান এবং মো. মাজহারুল ইসলাম। তারা সবাই পূবালী ব্যাংকের চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানাধীন সিডিএ কর্পোরেট শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী ছিলেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর রেজাউল করিম রনি। তিনি জানান, আসামিরা ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে টাকা সংগ্রহের সময় পরিকল্পিতভাবে অর্থ আত্মসাৎ করেন, যা আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। মামলার সূত্রমতে, ২০১৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের সিডিএ কর্পোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন শাখায় টাকা পরিবহনের সময় ৫০ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়। ঘটনার দিন একটি মাইক্রোবাসে টাকা পরিবহনের সময় সীতাকুণ্ড এলাকায় পৌঁছালে গাড়ির পেছনের দরজা খোলা দেখতে পান সংশ্লিষ্টরা এবং একটি টাকার বস্তা নিখোঁজ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তদন্তে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পারস্পরিক যোগসাজশে অর্থ আত্মসাৎ প্রমাণিত হয়। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
রিপোর্টারের নাম 






















