ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের বড় উদ্যোগ: ১৫ টাকায় চাল পাচ্ছে ৫৫ লাখ পরিবার

দেশের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় পরিসরে খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে সরকার। এর আওতায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় ৫৫ লাখ পরিবারকে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১৫ টাকা কেজি দরে। সংসদ অধিবেশনে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে এই বিশেষ খাতের জন্য ১০ লাখ টন চালের বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী জানান, বছরে নির্দিষ্ট ছয় মাস (আগস্ট থেকে নভেম্বর এবং মার্চ ও এপ্রিল) এই চাল বিতরণ করা হয়। ইতোমধ্যে চলতি অর্থবছরের বরাদ্দের একটি বড় অংশ সফলভাবে বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া সাধারণ চালের পাশাপাশি দরিদ্র মানুষের পুষ্টির অভাব দূর করতে ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ ‘পুষ্টিচাল’ বিতরণের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। বর্তমানে ২৪৮টি উপজেলায় এই বিশেষ চাল সরবরাহ করা হচ্ছে।

বাজারদর নিয়ন্ত্রণে ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন জেলা সদরের ১ হাজার ৯১টি কেন্দ্রের মাধ্যমে সুলভ মূল্যে চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডধারীদেরও নিয়মিতভাবে সুলভ মূল্যে চাল দেওয়া হচ্ছে। সরকারের এই বহুমুখী পদক্ষেপের ফলে সাধারণ মানুষের খাদ্য কষ্ট লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের বড় উদ্যোগ: ১৫ টাকায় চাল পাচ্ছে ৫৫ লাখ পরিবার

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

দেশের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় পরিসরে খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে সরকার। এর আওতায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় ৫৫ লাখ পরিবারকে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১৫ টাকা কেজি দরে। সংসদ অধিবেশনে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে এই বিশেষ খাতের জন্য ১০ লাখ টন চালের বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী জানান, বছরে নির্দিষ্ট ছয় মাস (আগস্ট থেকে নভেম্বর এবং মার্চ ও এপ্রিল) এই চাল বিতরণ করা হয়। ইতোমধ্যে চলতি অর্থবছরের বরাদ্দের একটি বড় অংশ সফলভাবে বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া সাধারণ চালের পাশাপাশি দরিদ্র মানুষের পুষ্টির অভাব দূর করতে ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ ‘পুষ্টিচাল’ বিতরণের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। বর্তমানে ২৪৮টি উপজেলায় এই বিশেষ চাল সরবরাহ করা হচ্ছে।

বাজারদর নিয়ন্ত্রণে ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন জেলা সদরের ১ হাজার ৯১টি কেন্দ্রের মাধ্যমে সুলভ মূল্যে চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডধারীদেরও নিয়মিতভাবে সুলভ মূল্যে চাল দেওয়া হচ্ছে। সরকারের এই বহুমুখী পদক্ষেপের ফলে সাধারণ মানুষের খাদ্য কষ্ট লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।