ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

সাতটা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকান ও শপিং মল: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় দোকানপাট এবং শপিং মল খোলা রাখার সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে রাত ৭টা পর্যন্ত এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে। রোববার দুপুরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানান। এর আগে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার জোর দাবি জানিয়েছিলেন।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে অফিস ও ব্যাংকের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। এছাড়া ব্যাংকগুলোতে লেনদেনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সময়সূচি বলবৎ থাকবে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদনের পর শনিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সরকারের পক্ষ থেকে এই জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

সাতটা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকান ও শপিং মল: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৪৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় দোকানপাট এবং শপিং মল খোলা রাখার সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে রাত ৭টা পর্যন্ত এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে। রোববার দুপুরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানান। এর আগে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার জোর দাবি জানিয়েছিলেন।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে অফিস ও ব্যাংকের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। এছাড়া ব্যাংকগুলোতে লেনদেনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সময়সূচি বলবৎ থাকবে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদনের পর শনিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সরকারের পক্ষ থেকে এই জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।