বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে নিহত বাংলাদেশি কর্মী এস এম তারেকের মরদেহ শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশে পৌঁছেছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গালফ এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারেকের মরদেহ এসে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।
বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নিহত তারেকের মরদেহ গ্রহণ করেন। এ সময় তারেকের স্বজন রিয়াজউদ্দীনও উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, সরকার নিহত কর্মীর দাফন-কাফনের জন্য তাৎক্ষণিক ৩৫ হাজার টাকা এবং ৫০ হাজার টাকার একটি চেক প্রদান করেছে। এছাড়াও, পরবর্তীতে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা সহায়তা করা হবে এবং তার ইন্স্যুরেন্স অনুযায়ী পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী সবসময় প্রবাসীদের খোঁজখবর রাখছেন।
গত ২ মার্চ বাহরাইনে একটি শিপইয়ার্ডে কাজ করার সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ধ্বংসাবশেষের আঘাতে তারেক আলী নিহত হন। তিনি দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে বাহরাইনের ‘দ্রাইডক’ নামক একটি শিপইয়ার্ড কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নে।
রিপোর্টারের নাম 

























