ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

প্রাথমিকে সংগীত নয়, ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের

প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটি যুক্তি দিয়েছে যে, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষার বিকাশে প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনের আগে ধর্মীয় শিক্ষা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। তাদের মতে, সংগীত শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ সেই পূর্বপ্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

তারা আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শিশুদের মধ্যে নৈতিকতা, মানবিকতা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানো। এই প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগই হবে সময়োপযোগী এবং জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের কাছে দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে এবং তাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূমধ্যসাগরে মৃত্যুঝুঁকি ও লিবিয়ার ‘গেম ঘরে’ বন্দি বাংলাদেশিরা

প্রাথমিকে সংগীত নয়, ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের

আপডেট সময় : ০৭:০২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটি যুক্তি দিয়েছে যে, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষার বিকাশে প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনের আগে ধর্মীয় শিক্ষা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। তাদের মতে, সংগীত শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ সেই পূর্বপ্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

তারা আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শিশুদের মধ্যে নৈতিকতা, মানবিকতা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানো। এই প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগই হবে সময়োপযোগী এবং জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের কাছে দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে এবং তাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে।