ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

কর কর্মকর্তাদের জনগণবান্ধব হওয়ার আহ্বান: খুলনায় নবনির্মিত আধুনিক কর ভবনের উদ্বোধন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

খুলনায় নবনির্মিত আধুনিক কর ভবনের ফলক উন্মোচন ও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল। বৃহস্পতিবার এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি এই অত্যাধুনিক ভবনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুইপ বকুল দেশের অর্থনীতিতে করদাতাদের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং কর কর্মকর্তাদের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর নীতি) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী এবং সদস্য (কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) আহসান হাবিব। এছাড়াও খুলনার কর কমিশনার শ্রাবণী চাকমা স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, দেশের আয়কর ব্যবস্থা দেশের উন্নয়নের এক অন্যতম চালিকাশক্তি। রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এবং বিদ্যুৎসহ সকল অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের একটি বড় অংশ আসে জনগণের দেওয়া কর থেকে। তাই এই ব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়াতে কর ফাঁকি রোধের পাশাপাশি নিয়মকানুনকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করা অপরিহার্য। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, অনেক সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট করা নিয়ে এক ধরনের ভীতি কাজ করে। তাদের ধারণা, করদাতা হলে তারা কর্মকর্তাদের দ্বারা হয়রানির শিকার হতে পারেন। কর্মকর্তাদের অতি উৎসাহী আচরণ ও অসততার কারণে নতুন করদাতা তৈরি হচ্ছে না, যা দেশের অর্থনীতির জন্য মোটেও শুভ নয়। হুইপ বকুল দৃঢ়ভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, করের হার না বাড়িয়ে করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করবে।

খুলনার আঞ্চলিক অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে হুইপ বকুল বলেন, শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত হলেও খুলনার শিল্প আজ হুমকির মুখে, বিশেষ করে মৎস্য শিল্প। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, এই অবহেলিত অঞ্চলে কুটির শিল্প থেকে শুরু করে বৃহৎ শিল্পকারখানা পুনরায় গড়ে তোলার মাধ্যমে অর্থনীতিকে সচল করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় ১১ ইসরাইলি সেনা আহত, আশঙ্কাজনক ৩

কর কর্মকর্তাদের জনগণবান্ধব হওয়ার আহ্বান: খুলনায় নবনির্মিত আধুনিক কর ভবনের উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৮:৩০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

খুলনায় নবনির্মিত আধুনিক কর ভবনের ফলক উন্মোচন ও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল। বৃহস্পতিবার এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি এই অত্যাধুনিক ভবনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুইপ বকুল দেশের অর্থনীতিতে করদাতাদের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং কর কর্মকর্তাদের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর নীতি) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী এবং সদস্য (কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) আহসান হাবিব। এছাড়াও খুলনার কর কমিশনার শ্রাবণী চাকমা স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, দেশের আয়কর ব্যবস্থা দেশের উন্নয়নের এক অন্যতম চালিকাশক্তি। রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এবং বিদ্যুৎসহ সকল অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের একটি বড় অংশ আসে জনগণের দেওয়া কর থেকে। তাই এই ব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়াতে কর ফাঁকি রোধের পাশাপাশি নিয়মকানুনকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করা অপরিহার্য। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, অনেক সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট করা নিয়ে এক ধরনের ভীতি কাজ করে। তাদের ধারণা, করদাতা হলে তারা কর্মকর্তাদের দ্বারা হয়রানির শিকার হতে পারেন। কর্মকর্তাদের অতি উৎসাহী আচরণ ও অসততার কারণে নতুন করদাতা তৈরি হচ্ছে না, যা দেশের অর্থনীতির জন্য মোটেও শুভ নয়। হুইপ বকুল দৃঢ়ভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, করের হার না বাড়িয়ে করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করবে।

খুলনার আঞ্চলিক অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে হুইপ বকুল বলেন, শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত হলেও খুলনার শিল্প আজ হুমকির মুখে, বিশেষ করে মৎস্য শিল্প। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, এই অবহেলিত অঞ্চলে কুটির শিল্প থেকে শুরু করে বৃহৎ শিল্পকারখানা পুনরায় গড়ে তোলার মাধ্যমে অর্থনীতিকে সচল করা হবে।