স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে ১৩ বছর অতিক্রম করে ১৪তম বর্ষে পদার্পণ করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এই প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে। একইসাথে, বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের স্বল্প আয়ের মানুষদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রম আরও বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ১৩ বছরের পদযাত্রা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া। ‘আস্থার আলো দেশজুড়ে’ স্লোগানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম খানসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। জোন ও শাখা-উপশাখার কর্মকর্তারা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে যুক্ত ছিলেন।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া তাঁর বক্তব্যে উদ্যোক্তা ও শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল যাত্রা শুরু করা এনআরবিসি ব্যাংক চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সব সূচকে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। তিনি ব্যাংকের সুশাসন নিশ্চিতকরণ, সেবার পরিধি বৃদ্ধি এবং সুনাম বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। ঋণ কার্যক্রম ও খেলাপি ঋণের আদায় বাড়িয়ে মুনাফা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে কুটির, অতিক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্রখাতে ঋণ বিতরণ বাড়িয়ে এনআরবিসি ব্যাংককে গণমানুষের ব্যাংকে পরিণত করার অঙ্গীকার করা হয়, যেখানে এই খাতে বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ৪০ শতাংশে উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর সেবার প্রচলন ও প্রসারেও গুরুত্বারোপ করা হয়।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান বলেন, ১৪ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে এনআরবিসি ব্যাংককে একটি অর্থবহ ও কমপ্লায়েন্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা এবং সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। তিনি জানান, বিগত ১৩ বছরে ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা এবং ঋণের পরিমাণ ১৪ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা। দেশব্যাপী প্রায় ৫ শতাধিক শাখা-উপশাখা এবং ৬ শতাধিক এজেন্ট ব্যাংকিং বুথ নিয়ে এনআরবিসি ব্যাংক তার শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, যা এর অন্যতম প্রধান শক্তি। ব্যাংকের গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























