ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

নাটোরের গুরুদাসপুরে কলেজে কাফনের কাপড় পার্সেল, শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক

নাটোরের গুরুদাসপুরে রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের দুই সহকারী অধ্যাপকের নামে দুটি পার্সেলে কাফনের কাপড় পাঠানোর ঘটনায় শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার সকালে মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন এবং ইসলাম শিক্ষা বিভাগের প্রধান সহকারী অধ্যাপক আব্দুস সামাদের নামে কলেজের ঠিকানায় এই পার্সেল দুটি আসে।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দুজন ব্যক্তি ডাকযোগে এই পার্সেলগুলো পাঠায়। পার্সেল দুটি পাওয়ার পর কলেজটিতে উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ এসে পার্সেল দুটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন ও আব্দুস সামাদ এ ঘটনায় আতঙ্কিত এবং থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রফেসর মো. ওমর আলী জানিয়েছেন, অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন ও আব্দুস সামাদ কলেজের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্বে আছেন এবং বর্তমানে কলেজে অডিট চলছে। এই ঘটনার পেছনে ভয়ভীতি প্রদর্শন বা অভ্যন্তরীণ কোন্দলের প্রভাব থাকতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে অবৈধ দখল উচ্ছেদ: যানজট ও ভোগান্তি কমাতে সিটি কর্পোরেশনের অভিযান

নাটোরের গুরুদাসপুরে কলেজে কাফনের কাপড় পার্সেল, শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক

আপডেট সময় : ০৪:২৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

নাটোরের গুরুদাসপুরে রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের দুই সহকারী অধ্যাপকের নামে দুটি পার্সেলে কাফনের কাপড় পাঠানোর ঘটনায় শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার সকালে মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন এবং ইসলাম শিক্ষা বিভাগের প্রধান সহকারী অধ্যাপক আব্দুস সামাদের নামে কলেজের ঠিকানায় এই পার্সেল দুটি আসে।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দুজন ব্যক্তি ডাকযোগে এই পার্সেলগুলো পাঠায়। পার্সেল দুটি পাওয়ার পর কলেজটিতে উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ এসে পার্সেল দুটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন ও আব্দুস সামাদ এ ঘটনায় আতঙ্কিত এবং থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রফেসর মো. ওমর আলী জানিয়েছেন, অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন ও আব্দুস সামাদ কলেজের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্বে আছেন এবং বর্তমানে কলেজে অডিট চলছে। এই ঘটনার পেছনে ভয়ভীতি প্রদর্শন বা অভ্যন্তরীণ কোন্দলের প্রভাব থাকতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে।