রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য চালু করা ই-কার সেবা মাত্র চার মাসের মধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। চালকদের লোকসান, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং পরিবহন কোম্পানির সিদ্ধান্তের কারণে এই পরিবহন সেবায় জটিলতা তৈরি হয়, যার ফলে গত মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে এটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (রুয়া) ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জন্য বৈদ্যুতিক গাড়ির (ই-কার) ব্যবস্থা করেছিল। গত বছরের ২৬ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে এই সেবা চালু হয়। প্রাথমিকভাবে ৫টি গাড়ি দিয়ে শুরু হলেও, কিছুদিনের মধ্যেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২টি বন্ধ হয়ে যায় এবং বাকি ৩টি চলছিল।
চালকরা দৈনিক ১ হাজার ৫০০ টাকা কোম্পানিকে জমা দেওয়ার পর গাড়ি পেতেন এবং সারাদিন গাড়ি চালিয়ে যা আয় হতো, সেটাই তাদের মজুরি হিসেবে থাকত। শুরুর দিকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ থাকলেও, ধীরে ধীরে যাত্রী সংখ্যা কমে যায়। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভাড়া সংক্রান্ত একটি জটিলতা তৈরি হয়, যা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হলেও কোনো সুরাহা হয়নি।
একপর্যায়ে, রাবি ই-কার সেবার ম্যানেজার এনায়েত কবির লিখন জানান, রুয়ার সঙ্গে বেশ কয়েকবার আলোচনা করেও কোনো সমাধান মেলেনি। পরিবহন কোম্পানিও অধিক মুনাফার অভাবে ক্যাম্পাসে গাড়ি দিতে আগ্রহী ছিল না। এই পরিস্থিতিতেই সেবাটি বন্ধ হয়ে যায়। তিনি আরও জানান, কোম্পানি থেকে প্রতিনিধি এসে রমজানের ছুটির মধ্যে ক্যাম্পাসে গাড়ি বিক্রি করার প্রস্তাব দিয়ে গেছে এবং এর মধ্যেই তারা ৩টি গাড়ি নিয়ে চলে গেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























