ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

সিন্ডিকেটের কারসাজিতে চালের বাজারে অস্থিরতা: বাজেট ঘোষণার আগেই চড়া দাম

জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগেই দেশের চালের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি ও খুচরা বাজারে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারণ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মিল মালিকদের কারসাজি এবং বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর ধান মজুতের কারণে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। এতে করে বোরো মৌসুমের ধান ওঠার পরও সাধারণ ক্রেতাদের চড়া দামে চাল কিনতে হচ্ছে।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে সরু, মাঝারি ও মোটা—সব ধরনের চালের দামই ঊর্ধ্বমুখী। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মিনিকেট চালের বস্তাপ্রতি দাম ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, বড় করপোরেট হাউসগুলো ধান মজুত করে রাখায় এবং চাল আমদানির এলসি বন্ধ থাকায় বাজারে এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমদানি উন্মুক্ত করা না হলে সিন্ডিকেটের এই দৌরাত্ম্য থামানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন খুচরা বিক্রেতারা।

এদিকে মিল মালিকরা ধানের সরবরাহ কম থাকার অজুহাত দিলেও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বাজেটকে কেন্দ্র করে কোনো পণ্যের দাম বাড়ার যৌক্তিক কারণ নেই। তবে বাজার মনিটরিংয়ের অভাব ও অসাধু চক্রের সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা ধরে রাখার পথে কারা হতে পারেন মূল তারকা?

সিন্ডিকেটের কারসাজিতে চালের বাজারে অস্থিরতা: বাজেট ঘোষণার আগেই চড়া দাম

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগেই দেশের চালের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি ও খুচরা বাজারে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারণ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মিল মালিকদের কারসাজি এবং বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর ধান মজুতের কারণে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। এতে করে বোরো মৌসুমের ধান ওঠার পরও সাধারণ ক্রেতাদের চড়া দামে চাল কিনতে হচ্ছে।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে সরু, মাঝারি ও মোটা—সব ধরনের চালের দামই ঊর্ধ্বমুখী। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মিনিকেট চালের বস্তাপ্রতি দাম ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, বড় করপোরেট হাউসগুলো ধান মজুত করে রাখায় এবং চাল আমদানির এলসি বন্ধ থাকায় বাজারে এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমদানি উন্মুক্ত করা না হলে সিন্ডিকেটের এই দৌরাত্ম্য থামানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন খুচরা বিক্রেতারা।

এদিকে মিল মালিকরা ধানের সরবরাহ কম থাকার অজুহাত দিলেও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বাজেটকে কেন্দ্র করে কোনো পণ্যের দাম বাড়ার যৌক্তিক কারণ নেই। তবে বাজার মনিটরিংয়ের অভাব ও অসাধু চক্রের সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।