ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় গ্যাসের লিকেজ থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ বিস্ফোরণে দগ্ধ এক পরিবারের তিনজন সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার ভোরে আব্দুল মান্নান এবং তার পাঁচ ঘণ্টা পর ছেলে সিয়াম জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

মৃতরা হলেন সবজি বিক্রেতা আব্দুল মান্নান (৫০), তার স্ত্রী সুলতানা (৩৫) এবং তাদের ছেলে সিয়াম (১৯)। পরিবারের সদস্যদের ইচ্ছা অনুযায়ী, তাদের লাশ কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে। গত ১১ জুন এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর এলাকায়।

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, এই মর্মান্তিক বিস্ফোরণে সুলতানার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ, সিয়ামের ৭৭ শতাংশ এবং আব্দুল মান্নানের ৩৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তবে, পরিবারের আরেক সদস্য ১৩ বছর বয়সী মিম এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার শরীরের ৪১ শতাংশ পুড়ে গেছে। এছাড়াও, প্রতিবেশী শিশু হযরত আলীও এই ঘটনায় দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: ‘দেশ বিক্রির প্রশ্নই ওঠে না’, আশ্বাস উপদেষ্টার

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু

আপডেট সময় : ০১:১৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় গ্যাসের লিকেজ থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ বিস্ফোরণে দগ্ধ এক পরিবারের তিনজন সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার ভোরে আব্দুল মান্নান এবং তার পাঁচ ঘণ্টা পর ছেলে সিয়াম জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

মৃতরা হলেন সবজি বিক্রেতা আব্দুল মান্নান (৫০), তার স্ত্রী সুলতানা (৩৫) এবং তাদের ছেলে সিয়াম (১৯)। পরিবারের সদস্যদের ইচ্ছা অনুযায়ী, তাদের লাশ কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে। গত ১১ জুন এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর এলাকায়।

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, এই মর্মান্তিক বিস্ফোরণে সুলতানার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ, সিয়ামের ৭৭ শতাংশ এবং আব্দুল মান্নানের ৩৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তবে, পরিবারের আরেক সদস্য ১৩ বছর বয়সী মিম এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার শরীরের ৪১ শতাংশ পুড়ে গেছে। এছাড়াও, প্রতিবেশী শিশু হযরত আলীও এই ঘটনায় দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।