ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চে তেল-গ্যাস সংযোগের ত্রুটিতে আগুন

বরিশালের চরমোনাই বার্ষিক মাহফিলে আসা যাত্রীবাহী একটি রিজার্ভ লঞ্চে তেল-গ্যাস সংযোগের ত্রুটির কারণে আগুন ধরেছে। বুধবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। তবে, সৌভাগ্যবশত এই দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। লঞ্চটি উদ্ধারের জন্য ডুবুরি দল ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছেন। প্রয়োজনে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ বরিশাল নগরী থেকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থেকে প্রায় ৩০০ যাত্রী নিয়ে এমভি মানিক-৪ নামের লঞ্চটি চরমোনাই মাহফিলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। বুধবার গভীর রাতে জোয়ারের সময় লঞ্চটি মাহফিল সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর তীরে নোঙ্গর করে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। জোয়ারের কারণে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লঞ্চটি নদীর তীরে বালুর বস্তার উপর উঠে যায়। পরে বুধবার দুপুরে ভাটা শুরু হলে নদীর পানি কমতে থাকে। নদীর পানি কমে যাওয়ার এক পর্যায়ে লঞ্চটি কাত হয়ে ডুবে যায়। তবে, লঞ্চের সকল যাত্রী মাহফিলের ময়দানে থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। লঞ্চ ডুবির পরপরই লঞ্চের সকল স্টাফ পালিয়ে গেছে। ঘটনার পর বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর বরিশাল ইউনিটের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারাও দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, দুপুর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত লঞ্চ ডুবির ঘটনায় কোনো হতাহত বা নিখোঁজের তথ্য পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির মিডিয়া সমন্বয়ক কে এম সরিয়াতুল্লাহ জানিয়েছেন, লঞ্চ ডুবির ঘটনায় কোনো প্রাণহানি না হলেও মুসল্লিদের কিছু মালামালের সামান্য ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিলে সংসদের সিলমোহর: রাজপথে নয়, লড়াই এবার উচ্চ আদালতে?

চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চে তেল-গ্যাস সংযোগের ত্রুটিতে আগুন

আপডেট সময় : ০৯:২৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

বরিশালের চরমোনাই বার্ষিক মাহফিলে আসা যাত্রীবাহী একটি রিজার্ভ লঞ্চে তেল-গ্যাস সংযোগের ত্রুটির কারণে আগুন ধরেছে। বুধবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। তবে, সৌভাগ্যবশত এই দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। লঞ্চটি উদ্ধারের জন্য ডুবুরি দল ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছেন। প্রয়োজনে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ বরিশাল নগরী থেকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থেকে প্রায় ৩০০ যাত্রী নিয়ে এমভি মানিক-৪ নামের লঞ্চটি চরমোনাই মাহফিলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। বুধবার গভীর রাতে জোয়ারের সময় লঞ্চটি মাহফিল সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর তীরে নোঙ্গর করে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। জোয়ারের কারণে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লঞ্চটি নদীর তীরে বালুর বস্তার উপর উঠে যায়। পরে বুধবার দুপুরে ভাটা শুরু হলে নদীর পানি কমতে থাকে। নদীর পানি কমে যাওয়ার এক পর্যায়ে লঞ্চটি কাত হয়ে ডুবে যায়। তবে, লঞ্চের সকল যাত্রী মাহফিলের ময়দানে থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। লঞ্চ ডুবির পরপরই লঞ্চের সকল স্টাফ পালিয়ে গেছে। ঘটনার পর বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর বরিশাল ইউনিটের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারাও দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, দুপুর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত লঞ্চ ডুবির ঘটনায় কোনো হতাহত বা নিখোঁজের তথ্য পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির মিডিয়া সমন্বয়ক কে এম সরিয়াতুল্লাহ জানিয়েছেন, লঞ্চ ডুবির ঘটনায় কোনো প্রাণহানি না হলেও মুসল্লিদের কিছু মালামালের সামান্য ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।