ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

অনলাইন ক্লাসের ৩+৩ মডেলের পরিবর্তে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বিকল্প প্রস্তাব অভিভাবকদের

বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরাম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাসের ৩+৩ মডেল বাতিলের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি মনে করে, এই মডেল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষতি করবে এবং অভিভাবকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করবে। বুধবার সংগঠনটির সভাপতি একেএম আশরাফুল হক এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য চারটি বিকল্প প্রস্তাব পেশ করেন।

সভাপতি একেএম আশরাফুল হক বলেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের বাজারে উচ্চগতির ইন্টারনেট ও প্রয়োজনীয় ডিভাইস কেনা অভিভাবকদের জন্য ব্যয়বহুল। এছাড়া, কর্মজীবী অভিভাবকদের পক্ষে সন্তানদের অনলাইন ক্লাস তদারকি করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই, পড়াশোনার ক্ষতি না করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য তারা বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন।

সংগঠনটির বিকল্প প্রস্তাবগুলো হলো: সপ্তাহে ৪ দিন সশরীরে (অফলাইন) ক্লাস চালু রাখা এবং বাকি ৩ দিন স্কুল ছুটি ঘোষণা করা। এতে যাতায়াত ও প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ উভয়ই সাশ্রয় হবে। এছাড়া, প্রয়োজনে স্কুলের প্রতিদিনের কর্মঘণ্টা বা ক্লাসের সময় কিছুটা কমিয়ে আনা যেতে পারে। শ্রেণিকক্ষে এসির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের ব্যবহার নিশ্চিত করার মতো অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও তারা বলেছেন।

প্যারেন্টস ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে গিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন যেন হুমকির মুখে না পড়ে। উল্লেখ্য, কিছুদিন পরেই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা এবং মে মাসে সাধারণ স্কুলগুলোর সেশন ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করলে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরের গুরুদাসপুরে কলেজে কাফনের কাপড় পার্সেল, শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক

অনলাইন ক্লাসের ৩+৩ মডেলের পরিবর্তে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বিকল্প প্রস্তাব অভিভাবকদের

আপডেট সময় : ০৯:১৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরাম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাসের ৩+৩ মডেল বাতিলের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি মনে করে, এই মডেল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষতি করবে এবং অভিভাবকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করবে। বুধবার সংগঠনটির সভাপতি একেএম আশরাফুল হক এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য চারটি বিকল্প প্রস্তাব পেশ করেন।

সভাপতি একেএম আশরাফুল হক বলেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের বাজারে উচ্চগতির ইন্টারনেট ও প্রয়োজনীয় ডিভাইস কেনা অভিভাবকদের জন্য ব্যয়বহুল। এছাড়া, কর্মজীবী অভিভাবকদের পক্ষে সন্তানদের অনলাইন ক্লাস তদারকি করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই, পড়াশোনার ক্ষতি না করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য তারা বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন।

সংগঠনটির বিকল্প প্রস্তাবগুলো হলো: সপ্তাহে ৪ দিন সশরীরে (অফলাইন) ক্লাস চালু রাখা এবং বাকি ৩ দিন স্কুল ছুটি ঘোষণা করা। এতে যাতায়াত ও প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ উভয়ই সাশ্রয় হবে। এছাড়া, প্রয়োজনে স্কুলের প্রতিদিনের কর্মঘণ্টা বা ক্লাসের সময় কিছুটা কমিয়ে আনা যেতে পারে। শ্রেণিকক্ষে এসির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের ব্যবহার নিশ্চিত করার মতো অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও তারা বলেছেন।

প্যারেন্টস ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে গিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন যেন হুমকির মুখে না পড়ে। উল্লেখ্য, কিছুদিন পরেই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা এবং মে মাসে সাধারণ স্কুলগুলোর সেশন ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করলে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।