ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ইছামতি নদীর বুকে অতিথি পাখির ঝাঁক, মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা

বগুড়ার ধুনট এবং সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ইছামতি নদীর বুকে হঠাৎ করেই দৃষ্টিনন্দন অতিথি পাখি শামুকখোলের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে অসংখ্য শামুকখোল পাখি এই নদীকে কেন্দ্র করে অবস্থান করছে, যা স্থানীয়দের কাছে এক নতুন অভিজ্ঞতা। এর আগে কখনো এত বড় আকারের অতিথি পাখির সমাগম এখানে ঘটেনি। তাই এই অপরিচিত পাখি দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন বয়সের মানুষের ভিড় করছে নদীর তীরে।

শুক্রবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ইছামতি নদী ও এর তীরবর্তী ধান ক্ষেতে শামুকখোল পাখি দল বেঁধে খাবার সংগ্রহ করছে। তারা হেঁটে হেঁটে পানিতে ঠোকর দিয়ে শামুক ও মাছ শিকার করছে। দেখতে অনেকটা বকের মতো হওয়ায় স্থানীয়রা এদের বড় আকারের বা ভিন্ন প্রজাতির বক হিসেবেই ভাবছেন। পাখির দল বেঁধে খাবার সংগ্রহ এবং নীল আকাশে উড়ে বেড়ানো প্রকৃতির সৌন্দর্য্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

পাইকপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক ও শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন জানান, প্রতিদিন তারা এই নদী সংলগ্ন সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন এবং পূর্বে এখানে তেমন পাখির দেখা মিলত না। হঠাৎ করে শামুকখোল পাখিদের আগমন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তারা আরও জানান, পাখিগুলো নদীর মাছ ও শামুক খেয়ে থাকে এবং খাবার সংগ্রহের পর বিশ্রামের জন্য উঁচু গাছে আশ্রয় নেয়। এই অচেনা পাখিগুলো দেখতে তাদের পরিবার নিয়ে আসা হয়েছে এবং এতে তারা আনন্দিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ধাক্কা: আইএমএফের সহায়তা লক্ষ্যমাত্রা ৫০ বিলিয়ন ডলার ছুঁতে পারে

ইছামতি নদীর বুকে অতিথি পাখির ঝাঁক, মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়ার ধুনট এবং সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ইছামতি নদীর বুকে হঠাৎ করেই দৃষ্টিনন্দন অতিথি পাখি শামুকখোলের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে অসংখ্য শামুকখোল পাখি এই নদীকে কেন্দ্র করে অবস্থান করছে, যা স্থানীয়দের কাছে এক নতুন অভিজ্ঞতা। এর আগে কখনো এত বড় আকারের অতিথি পাখির সমাগম এখানে ঘটেনি। তাই এই অপরিচিত পাখি দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন বয়সের মানুষের ভিড় করছে নদীর তীরে।

শুক্রবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ইছামতি নদী ও এর তীরবর্তী ধান ক্ষেতে শামুকখোল পাখি দল বেঁধে খাবার সংগ্রহ করছে। তারা হেঁটে হেঁটে পানিতে ঠোকর দিয়ে শামুক ও মাছ শিকার করছে। দেখতে অনেকটা বকের মতো হওয়ায় স্থানীয়রা এদের বড় আকারের বা ভিন্ন প্রজাতির বক হিসেবেই ভাবছেন। পাখির দল বেঁধে খাবার সংগ্রহ এবং নীল আকাশে উড়ে বেড়ানো প্রকৃতির সৌন্দর্য্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

পাইকপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক ও শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন জানান, প্রতিদিন তারা এই নদী সংলগ্ন সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন এবং পূর্বে এখানে তেমন পাখির দেখা মিলত না। হঠাৎ করে শামুকখোল পাখিদের আগমন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তারা আরও জানান, পাখিগুলো নদীর মাছ ও শামুক খেয়ে থাকে এবং খাবার সংগ্রহের পর বিশ্রামের জন্য উঁচু গাছে আশ্রয় নেয়। এই অচেনা পাখিগুলো দেখতে তাদের পরিবার নিয়ে আসা হয়েছে এবং এতে তারা আনন্দিত।