বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সাবেক সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা ও কারাবন্দী অবস্থায় সুচিকিৎসার অভাবে তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন বলে তার পরিবার জানিয়েছে। এই অবস্থায় তার মুক্তি এবং সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শওকত মাহমুদের বড় মেয়ে মেহেত মামুন।
মেহেত মামুন প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক আবেদনে উল্লেখ করেছেন যে, ৭৩ বছর বয়সী শওকত মাহমুদ হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, সিওপিডি (COPD), শ্বাসকষ্ট এবং বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন। ২০০৪ সালে তার হার্টে ছয়টি বাইপাস সার্জারি করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে আরও চারটি রিং (স্টেন্ট) বসানো হয়। গত বছরের ৭ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার হওয়ার পর রিমান্ডে থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চলৎশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন এবং তার জীবন সংকটাপন্ন বলে পরিবার জানিয়েছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত বছরের ৭ ডিসেম্বর একটি মিথ্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তীতে একের পর এক মামলায় জড়িয়ে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। পরিবারের দাবি, পূর্ববর্তী সময়ে ৭০টির বেশি মামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি আদর্শের সঙ্গে আপস করেননি। কিন্তু বর্তমানে একটি মহল তাকে দল ও নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে, যার ফলে তাকে দলীয় পদ থেকেও অব্যাহতি পেতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠিতে শওকত মাহমুদের পরিবারের চরম আর্থিক সংকটের কথাও জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























