গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের মা ও মেয়েসহ পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় লোমহর্ষক তথ্য প্রকাশ করেছে ফরেনসিক বিভাগ। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে এবং দেড় বছর বয়সী এক শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। নিহতরা হলেন শারমিন খানম, তার তিন সন্তান এবং ভাই রসুল মোল্লা।
পুলিশ জানায়, নিহতরা কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লা পলাতক রয়েছেন। ফরেনসিক চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের আগে ভুক্তভোগীদের কোনো চেতনানাশক বা নেশাজাতীয় দ্রব্য খাওয়ানো হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে ভিসেরা নমুনা পরীক্ষার জন্য সিআইডির ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনায় নিহত শারমিন খানমের বাবা বাদী হয়ে ফোরকান মোল্লাকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশ, সিআইডি এবং পিবিআইসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক ইউনিট কাজ করছে। পুলিশ কর্মকর্তাদের আশা, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা সম্ভব হলে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























