ঢাকা ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও নেপাল পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, শিক্ষা ও পর্যটনসহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে মত বিনিময় করা হয়। পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপাল উভয়ই জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশ হওয়ায় সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জ্বালানি খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। তিনি পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রদূত নেপালের বন ব্যবস্থাপনার সাফল্যের কথা উল্লেখ করে জানান, দেশটির প্রায় ৪৫ শতাংশ এলাকাই বনভূমি। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ-নেপাল সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং বিমসটেকের অধীনে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন।

উভয়পক্ষ পরিবেশ সংরক্ষণ, বন ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে একমত পোষণ করেন। এই বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ

আপডেট সময় : ০৯:০৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও নেপাল পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, শিক্ষা ও পর্যটনসহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে মত বিনিময় করা হয়। পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপাল উভয়ই জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশ হওয়ায় সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জ্বালানি খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। তিনি পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রদূত নেপালের বন ব্যবস্থাপনার সাফল্যের কথা উল্লেখ করে জানান, দেশটির প্রায় ৪৫ শতাংশ এলাকাই বনভূমি। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ-নেপাল সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং বিমসটেকের অধীনে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন।

উভয়পক্ষ পরিবেশ সংরক্ষণ, বন ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে একমত পোষণ করেন। এই বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।