ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

আড়াইহাজার থানায় হেফাজত থেকে আসামি পলায়ন: দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই প্রত্যাহার

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় পুলিশ হেফাজত থেকে এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলামকে ক্লোজড বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার জেলা পুলিশের এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। এ ঘটনায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মার্চ একটি হামলার মামলায় ইসমাইল নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়। পরে এসআই জহিরুলের কক্ষে তাকে রাখা হলে সুযোগ বুঝে সে কৌশলে পালিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

তবে পালিয়ে যাওয়ার একদিন পর ৩১ মার্চ রাতে উপজেলার চর বাজার এলাকা থেকে পলাতক আসামি ইসমাইলকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) জানান, দায়িত্বে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আরও কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির বক্তব্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আইনজীবী শিশির মনিরের খোলা চিঠি

আড়াইহাজার থানায় হেফাজত থেকে আসামি পলায়ন: দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় পুলিশ হেফাজত থেকে এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলামকে ক্লোজড বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার জেলা পুলিশের এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। এ ঘটনায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মার্চ একটি হামলার মামলায় ইসমাইল নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়। পরে এসআই জহিরুলের কক্ষে তাকে রাখা হলে সুযোগ বুঝে সে কৌশলে পালিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

তবে পালিয়ে যাওয়ার একদিন পর ৩১ মার্চ রাতে উপজেলার চর বাজার এলাকা থেকে পলাতক আসামি ইসমাইলকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) জানান, দায়িত্বে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আরও কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।