ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান পদত্যাগ করেছেন। গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টে তার পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এই পদত্যাগ বিচার বিভাগের অভ্যন্তরে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, বিচারপতি রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক এই অভিযোগ করেন, যেখানে তিনি দুর্নীতির পাশাপাশি অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন। আবেদনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধ জানানো হয় এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

অভিযোগে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার কার্যধারায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। একটি মামলায় সংশ্লিষ্ট জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়, যা পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বাতিল হয়ে যায়। অন্য একটি মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষ না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়, যা আবেদনকারীর দৃষ্টিতে ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির পরিপন্থি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

আপডেট সময় : ১২:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান পদত্যাগ করেছেন। গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টে তার পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এই পদত্যাগ বিচার বিভাগের অভ্যন্তরে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, বিচারপতি রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক এই অভিযোগ করেন, যেখানে তিনি দুর্নীতির পাশাপাশি অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন। আবেদনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধ জানানো হয় এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

অভিযোগে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার কার্যধারায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। একটি মামলায় সংশ্লিষ্ট জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়, যা পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বাতিল হয়ে যায়। অন্য একটি মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষ না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়, যা আবেদনকারীর দৃষ্টিতে ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির পরিপন্থি।