ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

অভিবাসন আইন কঠোর করছে ইইউ, বহিষ্কার কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) অবৈধ অভিবাসীদের আটক ও বহিষ্কার প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে একটি কঠোর অভিবাসন নীতির চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে যাচ্ছে। এই নতুন আইনের ফলে কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে আগত অভিবাসীদের আটক ও ফেরত পাঠানোর ক্ষমতা পাবে। এছাড়াও, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে ‘ডিপোর্টেশন সেন্টার’ বা নির্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের পথও খুলে যাবে।

স্ট্রাসবুর্গে অনুষ্ঠিত এই ভোটটি অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের ওপর রাজনৈতিক চাপ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দীর্ঘ আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসনবিষয়ক কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার বলেছেন, এই আইন স্পষ্ট করবে যে কারা ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকতে পারবে এবং কাকে চলে যেতে হবে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনার মুখে থাকা এই আইনে ইইউর বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ বা বহিষ্কার কেন্দ্র স্থাপনের বিধানও রাখা হয়েছে, যেখানে যাদের ইউরোপে থাকার অধিকার নেই, তাদের পাঠানো হতে পারে। ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, নেদারল্যান্ডসসহ বেশ কয়েকটি দেশ এমন কেন্দ্র স্থাপনে আগ্রহ দেখিয়েছে। গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস ২০২৬ সালের মধ্যে এসব কেন্দ্র স্থাপনের প্রথম চুক্তি সম্পন্ন করে ২০২৭ সাল থেকে কার্যকর করার লক্ষ্য ব্যক্ত করেছেন।

ইউরোপীয় দেশগুলোতে অভিবাসন ইস্যুতে জনমত কঠোর হওয়ায় এবং ডানপন্থি দলগুলোর উত্থানের কারণে সরকারগুলোও এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। বর্তমানে ইউরোপ থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ পাওয়া অভিবাসীদের মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশ নিজ দেশে ফিরে যায়। এই হার বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রত্যাবাসন ব্যবস্থার উন্নতির ওপর জোর দিচ্ছে ব্রাসেলস।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি কিনতে ১৫ কোটি রুপির প্রস্তাব, বিজেপির বিরুদ্ধে সঞ্জয় রাউতের বিস্ফোরক অভিযোগ

অভিবাসন আইন কঠোর করছে ইইউ, বহিষ্কার কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ১২:২৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) অবৈধ অভিবাসীদের আটক ও বহিষ্কার প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে একটি কঠোর অভিবাসন নীতির চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে যাচ্ছে। এই নতুন আইনের ফলে কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে আগত অভিবাসীদের আটক ও ফেরত পাঠানোর ক্ষমতা পাবে। এছাড়াও, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে ‘ডিপোর্টেশন সেন্টার’ বা নির্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের পথও খুলে যাবে।

স্ট্রাসবুর্গে অনুষ্ঠিত এই ভোটটি অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের ওপর রাজনৈতিক চাপ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দীর্ঘ আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসনবিষয়ক কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার বলেছেন, এই আইন স্পষ্ট করবে যে কারা ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকতে পারবে এবং কাকে চলে যেতে হবে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনার মুখে থাকা এই আইনে ইইউর বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ বা বহিষ্কার কেন্দ্র স্থাপনের বিধানও রাখা হয়েছে, যেখানে যাদের ইউরোপে থাকার অধিকার নেই, তাদের পাঠানো হতে পারে। ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, নেদারল্যান্ডসসহ বেশ কয়েকটি দেশ এমন কেন্দ্র স্থাপনে আগ্রহ দেখিয়েছে। গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস ২০২৬ সালের মধ্যে এসব কেন্দ্র স্থাপনের প্রথম চুক্তি সম্পন্ন করে ২০২৭ সাল থেকে কার্যকর করার লক্ষ্য ব্যক্ত করেছেন।

ইউরোপীয় দেশগুলোতে অভিবাসন ইস্যুতে জনমত কঠোর হওয়ায় এবং ডানপন্থি দলগুলোর উত্থানের কারণে সরকারগুলোও এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। বর্তমানে ইউরোপ থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ পাওয়া অভিবাসীদের মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশ নিজ দেশে ফিরে যায়। এই হার বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রত্যাবাসন ব্যবস্থার উন্নতির ওপর জোর দিচ্ছে ব্রাসেলস।