ঢাকা ১১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

আন্দামান সাগরে বাংলাদেশের দুই সাঁতারুর অসাধারণ সাফল্য

থাইল্যান্ডের আন্দামান সাগরে অনুষ্ঠিত ‘ওশানম্যান ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের দুই সাঁতারু মোস্তাফিজুর রহমান ও হোমায়েদ ইসহাক মুন ১০ কিলোমিটার ওপেন ওয়াটার সাঁতার ক্যাটাগরিতে অংশ নিয়ে নিজেদের সামর্থ্য ও মানসিক দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন। মোস্তাফিজুর রহমান ৪ ঘণ্টা ৪১ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে এবং হোমায়েদ ইসহাক মুন ৫ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে সাঁতার সম্পন্ন করেন। তারা দুজনই ২৯ থেকে ৩৯ বছর বয়সী ক্যাটাগরিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশের একজন পরিচিত অ্যাথলেট, যিনি এর আগে ‘বাংলা চ্যানেল’ জয় করেছেন এবং স্পেনে অনুষ্ঠিত হাফ আয়রনম্যান প্রতিযোগিতাও সফলভাবে শেষ করেছেন। অন্যদিকে, হোমায়েদ ইসহাক মুনও হাফ আয়রনম্যান ফিনিশার এবং বাংলা চ্যানেলজয়ী সাঁতারু হিসেবে নিজের ধৈর্য ও লড়াইয়ের মানসিকতা প্রমাণ করেছেন।

ওশানম্যান সিরিজ বিশ্বজুড়ে ওপেন ওয়াটার সাঁতারের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর হিসেবে বিবেচিত হয়। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের দুই সাঁতারুর অংশগ্রহণ ও সফলভাবে সমাপ্তি কেবল তাদের ব্যক্তিগত অর্জনই নয়, বরং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্যও এক বিরাট অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রেণিকক্ষ বনাম কোচিং: একটি ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার সন্ধানে

আন্দামান সাগরে বাংলাদেশের দুই সাঁতারুর অসাধারণ সাফল্য

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

থাইল্যান্ডের আন্দামান সাগরে অনুষ্ঠিত ‘ওশানম্যান ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের দুই সাঁতারু মোস্তাফিজুর রহমান ও হোমায়েদ ইসহাক মুন ১০ কিলোমিটার ওপেন ওয়াটার সাঁতার ক্যাটাগরিতে অংশ নিয়ে নিজেদের সামর্থ্য ও মানসিক দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন। মোস্তাফিজুর রহমান ৪ ঘণ্টা ৪১ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে এবং হোমায়েদ ইসহাক মুন ৫ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে সাঁতার সম্পন্ন করেন। তারা দুজনই ২৯ থেকে ৩৯ বছর বয়সী ক্যাটাগরিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশের একজন পরিচিত অ্যাথলেট, যিনি এর আগে ‘বাংলা চ্যানেল’ জয় করেছেন এবং স্পেনে অনুষ্ঠিত হাফ আয়রনম্যান প্রতিযোগিতাও সফলভাবে শেষ করেছেন। অন্যদিকে, হোমায়েদ ইসহাক মুনও হাফ আয়রনম্যান ফিনিশার এবং বাংলা চ্যানেলজয়ী সাঁতারু হিসেবে নিজের ধৈর্য ও লড়াইয়ের মানসিকতা প্রমাণ করেছেন।

ওশানম্যান সিরিজ বিশ্বজুড়ে ওপেন ওয়াটার সাঁতারের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর হিসেবে বিবেচিত হয়। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের দুই সাঁতারুর অংশগ্রহণ ও সফলভাবে সমাপ্তি কেবল তাদের ব্যক্তিগত অর্জনই নয়, বরং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্যও এক বিরাট অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।