ঢাকা ১২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালো ৬৮ হাজার টন ডিজেল, কাটবে জ্বালানি শঙ্কা

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে বিশাল এক ডিজেলের চালান। মঙ্গলবার মধ্যরাতে প্রায় ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে দুটি জাহাজ বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করেছে। আমদানিকৃত এই জ্বালানি দেশের বর্তমান চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, সিঙ্গাপুরের ইউনিপ্যাক থেকে আসা ‘এমটি টর্ম দামিনি’ জাহাজটি ৩৩ হাজার টন এবং ভিটল এশিয়ার ‘এমটি লুসিয়া সলিস’ জাহাজটি ৩৫ হাজার টন ডিজেল বহন করছে। বর্তমানে দেশে প্রতিদিন গড়ে ১১ হাজার টনের বেশি ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। নতুন এই চালান যুক্ত হওয়ার ফলে দেশের মজুত সক্ষমতা আরও ৪ থেকে ৫ দিন বৃদ্ধি পেল।

জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে বিপিসি চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, বর্তমানে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই এবং নিয়মিত বিরতিতে আরও জাহাজ আসার কথা রয়েছে। বিকল্প উৎস থেকেও তেল আমদানির প্রক্রিয়া চলমান থাকায় চলতি মাসে কোনো ধরনের সংকটের আশঙ্কা নেই বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশীয় টেলিকম খাত ধ্বংসের ব্লুপ্রিন্ট: নতুন লাইসেন্সিং নীতিমালার ব্যবচ্ছেদ

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালো ৬৮ হাজার টন ডিজেল, কাটবে জ্বালানি শঙ্কা

আপডেট সময় : ১০:৩৯:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে বিশাল এক ডিজেলের চালান। মঙ্গলবার মধ্যরাতে প্রায় ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে দুটি জাহাজ বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করেছে। আমদানিকৃত এই জ্বালানি দেশের বর্তমান চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, সিঙ্গাপুরের ইউনিপ্যাক থেকে আসা ‘এমটি টর্ম দামিনি’ জাহাজটি ৩৩ হাজার টন এবং ভিটল এশিয়ার ‘এমটি লুসিয়া সলিস’ জাহাজটি ৩৫ হাজার টন ডিজেল বহন করছে। বর্তমানে দেশে প্রতিদিন গড়ে ১১ হাজার টনের বেশি ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। নতুন এই চালান যুক্ত হওয়ার ফলে দেশের মজুত সক্ষমতা আরও ৪ থেকে ৫ দিন বৃদ্ধি পেল।

জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে বিপিসি চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, বর্তমানে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই এবং নিয়মিত বিরতিতে আরও জাহাজ আসার কথা রয়েছে। বিকল্প উৎস থেকেও তেল আমদানির প্রক্রিয়া চলমান থাকায় চলতি মাসে কোনো ধরনের সংকটের আশঙ্কা নেই বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।