ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সমুদ্রবাণিজ্য সম্পূর্ণ অচল করে দেওয়ার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সমুদ্রপথের সমস্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর কঠোর অবস্থানের ফলে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ সফলভাবে কার্যকর করা হয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে মার্কিন বাহিনীর সামুদ্রিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় অ্যাডমিরাল কুপার উল্লেখ করেন, ইরানের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশই সমুদ্রপথের বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। অবরোধ শুরুর মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই দেশটির বন্দরগুলো দিয়ে সব ধরনের সামুদ্রিক লেনদেন ও বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে। সেন্টকমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অবরোধ কোনো নির্দিষ্ট দেশের জন্য নয়, বরং ইরানের বন্দরে যাতায়াতকারী বিশ্বের সকল দেশের জাহাজের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

এই অবরোধ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে মার্কিন নৌবাহিনী তাদের অত্যাধুনিক গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলো মোতায়েন করেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রতিটি ডেস্ট্রয়ারে ৩০০ জনেরও বেশি অত্যন্ত দক্ষ ও প্রশিক্ষিত নাবিক রয়েছেন, যারা যেকোনো ধরনের আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সামুদ্রিক অভিযান পরিচালনায় সক্ষম। মূলত ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশীয় টেলিকম খাত ধ্বংসের ব্লুপ্রিন্ট: নতুন লাইসেন্সিং নীতিমালার ব্যবচ্ছেদ

ইরানের সমুদ্রবাণিজ্য সম্পূর্ণ অচল করে দেওয়ার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় : ১০:৪৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সমুদ্রপথের সমস্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর কঠোর অবস্থানের ফলে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ সফলভাবে কার্যকর করা হয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে মার্কিন বাহিনীর সামুদ্রিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় অ্যাডমিরাল কুপার উল্লেখ করেন, ইরানের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশই সমুদ্রপথের বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। অবরোধ শুরুর মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই দেশটির বন্দরগুলো দিয়ে সব ধরনের সামুদ্রিক লেনদেন ও বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে। সেন্টকমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অবরোধ কোনো নির্দিষ্ট দেশের জন্য নয়, বরং ইরানের বন্দরে যাতায়াতকারী বিশ্বের সকল দেশের জাহাজের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

এই অবরোধ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে মার্কিন নৌবাহিনী তাদের অত্যাধুনিক গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলো মোতায়েন করেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রতিটি ডেস্ট্রয়ারে ৩০০ জনেরও বেশি অত্যন্ত দক্ষ ও প্রশিক্ষিত নাবিক রয়েছেন, যারা যেকোনো ধরনের আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সামুদ্রিক অভিযান পরিচালনায় সক্ষম। মূলত ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।