দেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে এক চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণ, মূলধনের তীব্র ঘাটতি এবং সরকারের অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণের ফলে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ কমে যাওয়ায় পুরো আর্থিক খাতের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিনের সুশাসনের অভাব এবং জবাবদিহিতার ঘাটতিই আজকের এই পরিস্থিতির মূল কারণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৩৫.৭৩ শতাংশে, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। এর পাশাপাশি ব্যাংকগুলোতে প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, ব্যাংকিং খাতকে পুনরায় স্থিতিশীল করতে হলে জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশ বা প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকার পুনঃমূলধনীকরণ প্রয়োজন।
এই সংকট উত্তরণে নীতিনির্ধারকদের দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খেলাপি ঋণ আদায়ে একটি শক্তিশালী টাস্কফোর্স গঠন, অর্থ আদালতের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যাংকিং খাতের এই পতন ঠেকাতে শক্তিশালী আইনি কাঠামোর পাশাপাশি সরকারের জোরালো রাজনৈতিক সদিচ্ছা এখন সময়ের দাবি।
রিপোর্টারের নাম 






















