ঢাকা ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চলন্ত বাস থেকে শিক্ষার্থীকে ফেলে দেওয়া: ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ পেলেন ভুক্তভোগী

চলন্ত বাস থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় ‘ঠিকানা পরিবহন’-এর ছয়টি বাস প্রায় ১৬ ঘণ্টা আটকে রাখার পর ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ নিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমের উপস্থিতিতে বাস মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আল মামুন, যিনি সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫৩ ব্যাচের ছাত্র, গতকাল রাতে বিশমাইল এলাকা থেকে ঠিকানা পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। ডেইরি গেটে নামতে চাইলে বাসের হেলপার তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে এবং জাবির শিক্ষার্থীদের বাসে না তোলার কথা বলে। এরপর আরেকজন হেলপার তাকে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়, এতে তার হাঁটু, হাতে এবং মাথায় আঘাত লাগে। এই ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা ঠিকানা পরিবহনের ছয়টি বাস আটক করে।

পরবর্তীতে, বাস মালিকপক্ষ আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ব্যয় এবং এক মাসের খরচ বাবদ মোট ২৫ হাজার টাকা প্রদান করেন। ঠিকানা পরিবহনের ম্যানেজার মো. কবির হোসাইন এই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে তারা সকল পরিবহন মালিকদের সাথে আলোচনা করে একটি সমাধানের চেষ্টা করবেন। প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম জানিয়েছেন, মালিকপক্ষ তাদের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে, যার মধ্যে ১২ হাজার টাকা চিকিৎসা বাবদ এবং ১৩ হাজার টাকা এক মাসের চলার খরচ বাবদ। তিনি আরও জানান, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চলাচলকারী পরিবহনগুলোর মালিকপক্ষের সাথে আলোচনা করে একটি স্থায়ী সমাধান করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বার কাউন্সিল পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য বৈষম্য দূর করার আহ্বান আইনমন্ত্রীর

চলন্ত বাস থেকে শিক্ষার্থীকে ফেলে দেওয়া: ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ পেলেন ভুক্তভোগী

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

চলন্ত বাস থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় ‘ঠিকানা পরিবহন’-এর ছয়টি বাস প্রায় ১৬ ঘণ্টা আটকে রাখার পর ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ নিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমের উপস্থিতিতে বাস মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আল মামুন, যিনি সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫৩ ব্যাচের ছাত্র, গতকাল রাতে বিশমাইল এলাকা থেকে ঠিকানা পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। ডেইরি গেটে নামতে চাইলে বাসের হেলপার তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে এবং জাবির শিক্ষার্থীদের বাসে না তোলার কথা বলে। এরপর আরেকজন হেলপার তাকে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়, এতে তার হাঁটু, হাতে এবং মাথায় আঘাত লাগে। এই ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা ঠিকানা পরিবহনের ছয়টি বাস আটক করে।

পরবর্তীতে, বাস মালিকপক্ষ আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ব্যয় এবং এক মাসের খরচ বাবদ মোট ২৫ হাজার টাকা প্রদান করেন। ঠিকানা পরিবহনের ম্যানেজার মো. কবির হোসাইন এই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে তারা সকল পরিবহন মালিকদের সাথে আলোচনা করে একটি সমাধানের চেষ্টা করবেন। প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম জানিয়েছেন, মালিকপক্ষ তাদের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে, যার মধ্যে ১২ হাজার টাকা চিকিৎসা বাবদ এবং ১৩ হাজার টাকা এক মাসের চলার খরচ বাবদ। তিনি আরও জানান, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চলাচলকারী পরিবহনগুলোর মালিকপক্ষের সাথে আলোচনা করে একটি স্থায়ী সমাধান করা হবে।