ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত নেবে আগামী সরকার: অর্থ উপদেষ্টা

সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের নতুন পে কমিশনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আগামী সরকার নেবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

রবিবার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

আইএমএফের ঋণের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “আইএমএফ’র সঙ্গে আমার চূড়ান্ত কথা হবে ১৫ তারিখে। আইএমএফ’র সঙ্গে আমার জুমে কথা হয়েছে। ওরা বলেছে, তোমাদের সার্বিক অর্থনৈতিক দিকটা আমরা অত্যন্ত হ্যাপি।”

তিনি বলেন, “ওদের কিছু কিছু রিকমেন্ডেশন আছে। যেমন; রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। সেটা আমি স্বীকার করেছি, ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও লো। সেটার অনেক কারণ আছে। আমাদের লোকজন ট্যাক্স দিতে চায় না। আবার এনবিআর বন্ধ ছিল দুই মাস। সেটার জন্য আমাদের বিরাট একটা… হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি। দ্বিতীয় ওদের (আইএমএফ) আরেকটা ফাইন্ডিং আছে; সামাজিক সুরক্ষার জন্য আরও বেশি ব্যয় করা, বিশেষ করে স্বাস্থ্য শিক্ষা সামাজিক নিরাপত্তা এবং খাদ্যটা। খাদ্যটা আমরা মোটামুটি ভালো করছি।”

আইএমএফ’র ঋণের ৬ষ্ঠ কিস্তি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পাওয়া যাবে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা রাজি হয়েছি আগেই, যে এখন কোনও প্রয়োজন নাই। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আইএমএফের আরেকটি মিশন বাংলাদেশে এসে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।”

পে কমিশনের ব্যাপারে তিনি বলেন, “আমরা এখন কিছু বলতে পারি না। আগামী সরকার এসে হয়ত এটা করতে পারে। যেহেতু আমরা করেছি ইনিশিয়েট করে ফেলেছি।”

ব্যাংকিং সেক্টর বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের ব্যাংকিং সেক্টর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যাংকিং সেক্টরটা মোটামুটি যেটা শুরু হয়েছে, আর বাকিগুলো আস্তে আস্তে করবে। এই জিনিসগুলো আমরা আগামী সরকারের জন্য।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে অবৈধ দখল উচ্ছেদ: যানজট ও ভোগান্তি কমাতে সিটি কর্পোরেশনের অভিযান

পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত নেবে আগামী সরকার: অর্থ উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের নতুন পে কমিশনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আগামী সরকার নেবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

রবিবার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

আইএমএফের ঋণের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “আইএমএফ’র সঙ্গে আমার চূড়ান্ত কথা হবে ১৫ তারিখে। আইএমএফ’র সঙ্গে আমার জুমে কথা হয়েছে। ওরা বলেছে, তোমাদের সার্বিক অর্থনৈতিক দিকটা আমরা অত্যন্ত হ্যাপি।”

তিনি বলেন, “ওদের কিছু কিছু রিকমেন্ডেশন আছে। যেমন; রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। সেটা আমি স্বীকার করেছি, ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও লো। সেটার অনেক কারণ আছে। আমাদের লোকজন ট্যাক্স দিতে চায় না। আবার এনবিআর বন্ধ ছিল দুই মাস। সেটার জন্য আমাদের বিরাট একটা… হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি। দ্বিতীয় ওদের (আইএমএফ) আরেকটা ফাইন্ডিং আছে; সামাজিক সুরক্ষার জন্য আরও বেশি ব্যয় করা, বিশেষ করে স্বাস্থ্য শিক্ষা সামাজিক নিরাপত্তা এবং খাদ্যটা। খাদ্যটা আমরা মোটামুটি ভালো করছি।”

আইএমএফ’র ঋণের ৬ষ্ঠ কিস্তি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পাওয়া যাবে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা রাজি হয়েছি আগেই, যে এখন কোনও প্রয়োজন নাই। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আইএমএফের আরেকটি মিশন বাংলাদেশে এসে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।”

পে কমিশনের ব্যাপারে তিনি বলেন, “আমরা এখন কিছু বলতে পারি না। আগামী সরকার এসে হয়ত এটা করতে পারে। যেহেতু আমরা করেছি ইনিশিয়েট করে ফেলেছি।”

ব্যাংকিং সেক্টর বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের ব্যাংকিং সেক্টর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যাংকিং সেক্টরটা মোটামুটি যেটা শুরু হয়েছে, আর বাকিগুলো আস্তে আস্তে করবে। এই জিনিসগুলো আমরা আগামী সরকারের জন্য।”