চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগকে কেন্দ্র করে চরম প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা ও নজিরবিহীন নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। গত দেড় বছর ধরে সংস্থাটিতে কোনো নিয়মিত এমডি নেই। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার রাতে একজনকে এমডি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে সেই নিয়োগ আদেশ বাতিল করা হয়। এই ঘটনায় সংস্থার ভেতরে-বাইরে ব্যাপক সমালোচনা ও জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যেখানে ওয়াসার বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী তৃতীয় গ্রেডের কর্মকর্তা, সেখানে চতুর্থ গ্রেডের একজনকে এমডি পদে নিয়োগ দেওয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এই সমন্বয়হীনতার কারণে প্রশাসনিক চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর গতি ধীর হয়ে গেছে। বর্তমানে এমডি ছাড়াও উপব্যবস্থাপনা পরিচালকের (অর্থ) মতো গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোও দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে আছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দীর্ঘদিনের এমডি ফজলুল্লাহর নিয়োগ বাতিল হওয়ার পর থেকেই সংস্থাটি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দিয়ে চলছে। গত এক বছরেও যোগ্য কাউকে এই শীর্ষ পদে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দিতে না পারায় প্রশাসনিক স্থবিরতা প্রকট হয়ে উঠেছে। ফলে সাধারণ গ্রাহকদের সেবার মান যেমন কমছে, তেমনি সংস্থার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলাও হুমকির মুখে পড়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























