ঢাকা ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

সন্দ্বীপে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৬, এলাকায় উত্তেজনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে আধিপত্য বিস্তার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মগধরা ইউনিয়নের ছউল্লার হাট এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মগধরা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সোলাইমান বাদশা ও উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি কুলসুম বেগম খেলনার মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ মেটাতে এক সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতিতে আলোচনা চলাকালেই দুই পক্ষের কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নিলে দলীয় কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। আহতদের মধ্যে যুবদল ও তাঁতি দলের স্থানীয় নেতারা রয়েছেন।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে উপস্থিত সিনিয়র নেতারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবুগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় ও বৈশাখী মেলা: হাজারো মানুষের মিলনমেলা

সন্দ্বীপে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৬, এলাকায় উত্তেজনা

আপডেট সময় : ১০:৩৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে আধিপত্য বিস্তার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মগধরা ইউনিয়নের ছউল্লার হাট এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মগধরা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সোলাইমান বাদশা ও উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি কুলসুম বেগম খেলনার মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ মেটাতে এক সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতিতে আলোচনা চলাকালেই দুই পক্ষের কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নিলে দলীয় কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। আহতদের মধ্যে যুবদল ও তাঁতি দলের স্থানীয় নেতারা রয়েছেন।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে উপস্থিত সিনিয়র নেতারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।