ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

রমজানের কাজা রোজা ও কাফফারা আদায়ের সঠিক নিয়ম ও বিধান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র রমজান মাস বিদায় নিলেও অনেকেরই অসুস্থতা, সফর কিংবা ব্যক্তিগত গাফিলতির কারণে কিছু রোজা রাখা সম্ভব হয়নি। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ছুটে যাওয়া এই ফরজ ইবাদতটি পরবর্তী সময়ে আদায় করা বাধ্যতামূলক। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা অসুস্থ বা মুসাফিরদের জন্য পরবর্তী সময়ে এই রোজা পূরণের স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।

যদি কেউ অসুস্থতা বা সফরের মতো শরিয়তসম্মত কারণে রোজা রাখতে না পারেন, তবে তাকে সমপরিমাণ রোজা কাজা করতে হবে। এই কাজা রোজাগুলো বিরতি দিয়ে বা ধারাবাহিকভাবে—যেকোনোভাবেই আদায় করা যায়। তবে কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়াই রোজা রাখা শুরু করে মাঝপথে ভেঙে ফেললে কাজার পাশাপাশি কাফফারা আদায় করাও ওয়াজিব হয়ে যায়।

কাফফারা আদায়ের পদ্ধতি হলো বিরতিহীনভাবে টানা দুই মাস রোজা রাখা। এক্ষেত্রে চান্দ্র মাসের পহেলা তারিখ থেকে শুরু করলে মাস ৩০ দিনের কম হলেও কাফফারা পূর্ণ হবে। তবে কোনো কারণে এই ধারাবাহিকতা নষ্ট হলে পুনরায় নতুন করে দুই মাস রোজা রাখতে হবে। নারীদের ক্ষেত্রে ঋতুস্রাবজনিত বিরতি এই ধারাবাহিকতা নষ্ট করবে না। সঠিক নিয়ম মেনে সময়মতো এই ইবাদত পূরণ করা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

রমজানের কাজা রোজা ও কাফফারা আদায়ের সঠিক নিয়ম ও বিধান

আপডেট সময় : ১০:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

পবিত্র রমজান মাস বিদায় নিলেও অনেকেরই অসুস্থতা, সফর কিংবা ব্যক্তিগত গাফিলতির কারণে কিছু রোজা রাখা সম্ভব হয়নি। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ছুটে যাওয়া এই ফরজ ইবাদতটি পরবর্তী সময়ে আদায় করা বাধ্যতামূলক। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা অসুস্থ বা মুসাফিরদের জন্য পরবর্তী সময়ে এই রোজা পূরণের স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।

যদি কেউ অসুস্থতা বা সফরের মতো শরিয়তসম্মত কারণে রোজা রাখতে না পারেন, তবে তাকে সমপরিমাণ রোজা কাজা করতে হবে। এই কাজা রোজাগুলো বিরতি দিয়ে বা ধারাবাহিকভাবে—যেকোনোভাবেই আদায় করা যায়। তবে কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়াই রোজা রাখা শুরু করে মাঝপথে ভেঙে ফেললে কাজার পাশাপাশি কাফফারা আদায় করাও ওয়াজিব হয়ে যায়।

কাফফারা আদায়ের পদ্ধতি হলো বিরতিহীনভাবে টানা দুই মাস রোজা রাখা। এক্ষেত্রে চান্দ্র মাসের পহেলা তারিখ থেকে শুরু করলে মাস ৩০ দিনের কম হলেও কাফফারা পূর্ণ হবে। তবে কোনো কারণে এই ধারাবাহিকতা নষ্ট হলে পুনরায় নতুন করে দুই মাস রোজা রাখতে হবে। নারীদের ক্ষেত্রে ঋতুস্রাবজনিত বিরতি এই ধারাবাহিকতা নষ্ট করবে না। সঠিক নিয়ম মেনে সময়মতো এই ইবাদত পূরণ করা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব।