দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকটকালে কুমিল্লায় একটি ফিলিং স্টেশনে ২০০ টাকার কম অকটেন না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকায় অবস্থিত মাস্টার এন্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন বাইকার। তারা অভিযোগ করেছেন যে, পাম্প কর্তৃপক্ষ ২০০ টাকার কম অকটেন বিক্রি করতে রাজি হচ্ছে না।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কুমিল্লার ৮১টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি পাম্পেই বর্তমানে অকটেন পাওয়া যাচ্ছে। গত ২৪ মার্চ আলেখারচর মাস্টার এন্ড সন্স পাম্পে জ্বালানি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ৯ হাজার লিটার অকটেন সরবরাহ করেছিল। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ মার্চ মঙ্গলবার কুমিল্লায় মোট ৬৬ হাজার লিটার অকটেন বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে সরবরাহ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী বাইকার সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, তিনি ১৭০ টাকার অকটেন নিতে গেলেও পাম্প কর্তৃপক্ষ তা দিতে রাজি হয়নি। তার মতে, সংকটকালীন সময়ে অপচয় না করে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি কেনা উচিত। তিনি প্রশ্ন তোলেন কেন পাম্পগুলো ২০০ টাকার নিচে অকটেন বিক্রি করছে না এবং তাদের মেশিনে কোনো কারচুপি আছে কিনা।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যাওয়া বেসরকারি চাকরিজীবী আরিফুল ইসলামও একই অভিযোগ করেছেন। তিনি জানান, তার কাছে ১৫০ টাকা ছিল কিন্তু পাম্প কর্তৃপক্ষ তাকে জানায় যে তারা ২০০ টাকার নিচে অকটেন বিক্রি করবে না। এই পরিস্থিতিতে কম টাকা দিয়ে কিভাবে জ্বালানি কিনবেন তা নিয়ে তিনি চিন্তিত।
এ বিষয়ে মাস্টার এন্ড সন্স ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এমন হওয়ার কথা নয় এবং ২০০ টাকার নিচে অকটেন নিতে চাইলে তা দেওয়া উচিত। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। বাইকারদের ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, অভিযোগটি সঠিক নয়।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এবং জ্বালানি তেল তদারকি কমিটির সভাপতি জাফর সাদিক চৌধুরী জানিয়েছেন, বাইকাররা ২০০ টাকার বেশি অকটেন নিতে পারবেন। যদি কোনো ফিলিং স্টেশন অনিয়ম করে থাকে, তবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























