ঢাকা ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

রংপুরে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: লণ্ডভণ্ড কয়েকশ ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎহীন বিশাল এলাকা

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শনিবার রাতে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা এই ঝড়, বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। ঝড়ে শতাধিক গাছ উপড়ে পড়ার পাশাপাশি অসংখ্য ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি, আলমপুর ও কুর্শা ইউনিয়নে ঝড়ের প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশি। এসব এলাকায় অনেক কাঁচা ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে এবং বসতঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবারকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হয়েছে। কুর্শা ইউনিয়নের একজন জনপ্রতিনিধি জানিয়েছেন, তার ওয়ার্ডেই অন্তত ২০টি ঘরবাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে।

ঝড়ের কারণে উপজেলার অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সড়কে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় জনগণ ও প্রশাসনের সহায়তায় সড়ক থেকে গাছ সরিয়ে যোগাযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়। তারাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানিয়েছে, বিদ্যুতের তারের ওপর গাছ পড়ে সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে সংঘাত: এক ইসরায়েলি সেনা নিহত

রংপুরে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: লণ্ডভণ্ড কয়েকশ ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎহীন বিশাল এলাকা

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শনিবার রাতে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা এই ঝড়, বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। ঝড়ে শতাধিক গাছ উপড়ে পড়ার পাশাপাশি অসংখ্য ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি, আলমপুর ও কুর্শা ইউনিয়নে ঝড়ের প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশি। এসব এলাকায় অনেক কাঁচা ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে এবং বসতঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবারকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হয়েছে। কুর্শা ইউনিয়নের একজন জনপ্রতিনিধি জানিয়েছেন, তার ওয়ার্ডেই অন্তত ২০টি ঘরবাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে।

ঝড়ের কারণে উপজেলার অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সড়কে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় জনগণ ও প্রশাসনের সহায়তায় সড়ক থেকে গাছ সরিয়ে যোগাযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়। তারাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানিয়েছে, বিদ্যুতের তারের ওপর গাছ পড়ে সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।