বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নের কার্যক্রম শুরু করেছেন। ভোটের পূর্ব প্রতিশ্রুতিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং বিশেষত যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশের মানুষের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীকরণ পরিকল্পনা আগামী ছয় মাসের মধ্যে দৃশ্যমান হবে।
বুধবার দিবাগত রাতে স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা পরিষদের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী স্মরণ করেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা দেশটিকে একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু হলেও জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ আবারও গণতন্ত্র ফিরে পায় এবং দেশের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা আসে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশনেতা তারেক রহমান জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতন্ত্র অটুট রাখার দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে তিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী আরো বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এদেশে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারবে। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানই দেশের প্রকৃত শক্তি। বিএনপি সবসময় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রয়েছে বলেও তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























