তিন দফা দাবি আদায় এবং পুলিশের হামলার প্রতিবাদে দেশজুড়ে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা একযোগে কর্মবিরতি শুরু করেছেন।
রবিবার সকাল থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হয়। এর পাশাপাশি দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শিক্ষকরা এখন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেছেন। শহীদ মিনারে অবস্থানের দ্বিতীয় দিনে এবং কর্মবিরতির প্রথম দিনে শিক্ষকরা এই নতুন দাবি যুক্ত করেন।
আন্দোলনকারী শিক্ষকদের নেতা মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ রবিবার একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছেন।
প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের পক্ষ থেকে পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাদের তিনটি দাবি বাস্তবায়ন করা হয়নি। উল্টো শাহবাগে নিরীহ শিক্ষকদের ওপর হঠাৎ হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় রাবার বুলেট, জলকামান, টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং লাঠিচার্জ করে শত শত শিক্ষককে আহত করা হয়েছে। এর দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে।
সহকারী শিক্ষকদের প্রধান তিনটি দাবি হলো— বেতন ১০ম গ্রেডে নির্ধারণ করা, ১০ বছর ও ১৬ বছর চাকরি পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেডের যে সমস্যা রয়েছে তার সমাধান করা এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি নিশ্চিত করা।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শিক্ষকরা গতকাল শনিবার থেকে শহীদ মিনারে অবস্থান করছিলেন। এরপর বিকালে তারা শাহবাগে গেলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এতে শিক্ষকরা तितिरबितिर হয়ে যান, অনেকে আহত হন এবং বেশ কয়েকজন শিক্ষককে আটক করা হয়।
শাহবাগ থানায় আটক শিক্ষকদের মুক্তি, আহতদের ভালো চিকিৎসা এবং পুলিশি হামলার প্রতিবাদে শিক্ষকরা রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করেন। অনেক শিক্ষক খোলা আকাশের নিচেই শহীদ মিনারে রাত কাটান এবং সকাল থেকে তারা আবার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
রিপোর্টারের নাম 






















