ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর তিস্তার পানি, নীলফামারীতে বন্যার শঙ্কা

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে নীলফামারীর তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। রোববার (২৮ জুন) রাত ৯টায় ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, সন্ধ্যা ৬টায় ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানির উচ্চতা ছিল ৫২ দশমিক ২২ মিটার, যা বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে রাত ৯টায় পানির উচ্চতা বেড়ে ৫২ দশমিক ২৫ মিটারে পৌঁছে, যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পানি আরও বাড়লে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি বন্যা পরিস্থিতিরও অবনতি হতে পারে।

এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং নদীসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েও প্রধান শিক্ষকের পদে দীপক, নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর তিস্তার পানি, নীলফামারীতে বন্যার শঙ্কা

আপডেট সময় : ১০:৫৬:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে নীলফামারীর তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। রোববার (২৮ জুন) রাত ৯টায় ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, সন্ধ্যা ৬টায় ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানির উচ্চতা ছিল ৫২ দশমিক ২২ মিটার, যা বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে রাত ৯টায় পানির উচ্চতা বেড়ে ৫২ দশমিক ২৫ মিটারে পৌঁছে, যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পানি আরও বাড়লে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি বন্যা পরিস্থিতিরও অবনতি হতে পারে।

এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং নদীসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।