ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত কোম্পানি টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার এলএনজি সরবরাহের এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি পেয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এলএনজি আমদানির এই প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়। বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা-২০০৮ কঠোরভাবে অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে এই জ্বালানি সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারি হিসাব ও মানদণ্ড অনুযায়ী, প্রতি কার্গোতে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার মিলিয়ন মেট্রিক ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি থাকে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার থেকে আমদানিকৃত প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম পড়ছে ১৯ দশমিক ৭৭ মার্কিন ডলার। সেই হিসেবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই দুই কার্গো এলএনজি আমদানিতে সরকারের মোট ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৬৬৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী, প্রথম কার্গোটি চলতি বছরের ২৪ থেকে ২৫ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় কার্গোটি ২৭ থেকে ২৮ এপ্রিল সময়ের মধ্যে দেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিটির বৈঠকে একই কোম্পানি থেকে এক কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছিল, যেখানে প্রতি এমএমবিটিইউর দাম ছিল ২১ দশমিক ৫৮ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় বর্তমান চালানে এলএনজির দাম কিছুটা হ্রাস পেয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। তবে দীর্ঘমেয়াদী বাজার বিশ্লেষণের প্রেক্ষিতে দেখা যায়, গত বছরের ৯ ডিসেম্বর এই একই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজি আমদানিতে খরচ হয়েছিল মাত্র ১০ দশমিক ৩৭ ডলার। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার কারণে গত বছরের তুলনায় এলএনজি আমদানিতে বর্তমানে সরকারকে অনেক বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষক স্বল্পতা মোকাবিলায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের তালিকা তৈরির নির্দেশ

স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার

আপডেট সময় : ০৯:০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত কোম্পানি টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার এলএনজি সরবরাহের এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি পেয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এলএনজি আমদানির এই প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়। বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা-২০০৮ কঠোরভাবে অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে এই জ্বালানি সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারি হিসাব ও মানদণ্ড অনুযায়ী, প্রতি কার্গোতে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার মিলিয়ন মেট্রিক ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি থাকে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার থেকে আমদানিকৃত প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম পড়ছে ১৯ দশমিক ৭৭ মার্কিন ডলার। সেই হিসেবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই দুই কার্গো এলএনজি আমদানিতে সরকারের মোট ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৬৬৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী, প্রথম কার্গোটি চলতি বছরের ২৪ থেকে ২৫ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় কার্গোটি ২৭ থেকে ২৮ এপ্রিল সময়ের মধ্যে দেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিটির বৈঠকে একই কোম্পানি থেকে এক কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছিল, যেখানে প্রতি এমএমবিটিইউর দাম ছিল ২১ দশমিক ৫৮ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় বর্তমান চালানে এলএনজির দাম কিছুটা হ্রাস পেয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। তবে দীর্ঘমেয়াদী বাজার বিশ্লেষণের প্রেক্ষিতে দেখা যায়, গত বছরের ৯ ডিসেম্বর এই একই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজি আমদানিতে খরচ হয়েছিল মাত্র ১০ দশমিক ৩৭ ডলার। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার কারণে গত বছরের তুলনায় এলএনজি আমদানিতে বর্তমানে সরকারকে অনেক বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।