ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ঈদের ছুটিতে খুলনার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ছুটির এই সময়ে নগরীর প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ছিল মানুষের সমাগম।

ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে নগরীর বিনোদন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে উল্লাস বিনোদন পার্কে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। পার্কটিতে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না এবং শিশুদের বিভিন্ন রাইডে উঠতে দীর্ঘ সময় ধরে লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে। পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, ১০ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য প্রবেশমূল্য ১০০ টাকা, ১০ বছরের নিচে ৫০ টাকা এবং ৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য প্রবেশ ফ্রি। এছাড়া বিভিন্ন রাইডের টিকিট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বনবিলাস চিড়িয়াখানায়ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের প্রথম দিনে বৃষ্টির কারণে অনেকেই বাইরে বের হতে পারেননি, ফলে দ্বিতীয় দিনে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে ঘুরতে এসেছেন। এছাড়াও হাদিস পার্ক ও জাতিসংঘ শিশু পার্কেও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। এসব স্থানে ঈদের ছুটিতে দিনভর মানুষের ভিড় অব্যাহত ছিল।

খালিশপুরের ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কেও দর্শনার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। তবে কিছু দর্শনার্থী রাইডগুলো পুরনো এবং পর্যাপ্ত বিনোদনের ব্যবস্থা না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নগরীর অনানুষ্ঠানিক বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ৭ নম্বর ঘাট, খানজাহান আলী রূপসা সেতু এবং ময়ূরী আবাসিক এলাকায়ও মানুষের ভিড় ছিল। বিশেষ করে খোলা জায়গা থাকায় ময়ূরী আবাসিক এলাকায় অনেককে পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটাতে দেখা গেছে।

৭ নম্বর ঘাটে ঘুরতে আসা এক দর্শনার্থী, মো. আলমগীর হোসেন, বলেন, “খুলনা দেশের তৃতীয় বৃহত্তম বিভাগ হলেও এখানে পর্যাপ্ত মানসম্মত বিনোদন কেন্দ্রের অভাব রয়েছে। যেগুলো আছে, তার অনেকগুলোই অচল বা মানহীন। অধিক খরচের কারণে মানুষ পার্কের পরিবর্তে উন্মুক্ত স্থানেই সময় কাটাতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলপিজির দাম বাড়লো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১৯৪০ টাকা

ঈদের ছুটিতে খুলনার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ছুটির এই সময়ে নগরীর প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ছিল মানুষের সমাগম।

ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে নগরীর বিনোদন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে উল্লাস বিনোদন পার্কে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। পার্কটিতে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না এবং শিশুদের বিভিন্ন রাইডে উঠতে দীর্ঘ সময় ধরে লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে। পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, ১০ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য প্রবেশমূল্য ১০০ টাকা, ১০ বছরের নিচে ৫০ টাকা এবং ৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য প্রবেশ ফ্রি। এছাড়া বিভিন্ন রাইডের টিকিট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বনবিলাস চিড়িয়াখানায়ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের প্রথম দিনে বৃষ্টির কারণে অনেকেই বাইরে বের হতে পারেননি, ফলে দ্বিতীয় দিনে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে ঘুরতে এসেছেন। এছাড়াও হাদিস পার্ক ও জাতিসংঘ শিশু পার্কেও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। এসব স্থানে ঈদের ছুটিতে দিনভর মানুষের ভিড় অব্যাহত ছিল।

খালিশপুরের ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কেও দর্শনার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। তবে কিছু দর্শনার্থী রাইডগুলো পুরনো এবং পর্যাপ্ত বিনোদনের ব্যবস্থা না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নগরীর অনানুষ্ঠানিক বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ৭ নম্বর ঘাট, খানজাহান আলী রূপসা সেতু এবং ময়ূরী আবাসিক এলাকায়ও মানুষের ভিড় ছিল। বিশেষ করে খোলা জায়গা থাকায় ময়ূরী আবাসিক এলাকায় অনেককে পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটাতে দেখা গেছে।

৭ নম্বর ঘাটে ঘুরতে আসা এক দর্শনার্থী, মো. আলমগীর হোসেন, বলেন, “খুলনা দেশের তৃতীয় বৃহত্তম বিভাগ হলেও এখানে পর্যাপ্ত মানসম্মত বিনোদন কেন্দ্রের অভাব রয়েছে। যেগুলো আছে, তার অনেকগুলোই অচল বা মানহীন। অধিক খরচের কারণে মানুষ পার্কের পরিবর্তে উন্মুক্ত স্থানেই সময় কাটাতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।”