ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

প্রকাশিত হলো দাওরায়ে হাদিসের ফল, পাসের হার প্রায় ৯০ শতাংশ

কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এবারের পরীক্ষায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৮৯.৯৯ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে এক যৌথ সভার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

সংস্থার চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয়, চলতি বছর সারা দেশ থেকে মোট ২৩ হাজার ৮৮১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২১ হাজার ৪৯১ জন। ফলাফলের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ছাত্রদের পাসের হার ৯২.৯১ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৮৪.৮১ শতাংশ। মেধাতালিকায় অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে ছাত্রদের মধ্যে ১ হাজার ৪৭৮ জন এবং ছাত্রীদের মধ্যে ৯৭ জন ‘মুমতাজ’ বা স্টার বিভাগে স্থান পেয়েছেন।

ছাত্রদের মেধা তালিকায় ৯৩২ নম্বর পেয়ে সারা দেশে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ঢাকার সূত্রাপুরের মাদ্রাসা বায়তুল উলুম ঢালকানগরের শিক্ষার্থী খালেদ হাছান। দ্বিতীয় হয়েছেন চট্টগ্রামের আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার মো. আব্বাস এবং যৌথভাবে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন মোহাম্মদপুরের জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়ার মুতাসিম বিল্লাহ ও ঢালকানগর মাদরাসার মুহা. আবু রায়হান।

অন্যদিকে, ছাত্রীদের মধ্যে রামপুরা মহিলা মাদ্রাসার আসমা ৮৯৪ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন যথাক্রমে লালমনিরহাটের মোছা. ফাতিমাতুয যাহরা এবং উত্তরার তাহসিনা সিদ্দীকা মারিয়া। মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতি ৫০০ জনের বিপরীতে একজন করে মোট ৪৮ জন শিক্ষার্থীকে বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

প্রকাশিত হলো দাওরায়ে হাদিসের ফল, পাসের হার প্রায় ৯০ শতাংশ

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এবারের পরীক্ষায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৮৯.৯৯ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে এক যৌথ সভার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

সংস্থার চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয়, চলতি বছর সারা দেশ থেকে মোট ২৩ হাজার ৮৮১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২১ হাজার ৪৯১ জন। ফলাফলের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ছাত্রদের পাসের হার ৯২.৯১ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৮৪.৮১ শতাংশ। মেধাতালিকায় অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে ছাত্রদের মধ্যে ১ হাজার ৪৭৮ জন এবং ছাত্রীদের মধ্যে ৯৭ জন ‘মুমতাজ’ বা স্টার বিভাগে স্থান পেয়েছেন।

ছাত্রদের মেধা তালিকায় ৯৩২ নম্বর পেয়ে সারা দেশে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ঢাকার সূত্রাপুরের মাদ্রাসা বায়তুল উলুম ঢালকানগরের শিক্ষার্থী খালেদ হাছান। দ্বিতীয় হয়েছেন চট্টগ্রামের আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার মো. আব্বাস এবং যৌথভাবে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন মোহাম্মদপুরের জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়ার মুতাসিম বিল্লাহ ও ঢালকানগর মাদরাসার মুহা. আবু রায়হান।

অন্যদিকে, ছাত্রীদের মধ্যে রামপুরা মহিলা মাদ্রাসার আসমা ৮৯৪ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন যথাক্রমে লালমনিরহাটের মোছা. ফাতিমাতুয যাহরা এবং উত্তরার তাহসিনা সিদ্দীকা মারিয়া। মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতি ৫০০ জনের বিপরীতে একজন করে মোট ৪৮ জন শিক্ষার্থীকে বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে।