ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

মাসুদ চৌধুরীর গ্রেপ্তারকে ‘ভালো সূচনা’ হিসেবে দেখছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

বিতর্কিত ওয়ান-ইলেভেনের অন্যতম প্রধান কুশীলব মাসুদ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। একইসঙ্গে তিনি ওয়ান-ইলেভেনের পেছনের ঘটনাবলি এবং ২০০৮ সালের নির্বাচন নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে ফারুকী উল্লেখ করেন, ওয়ান-ইলেভেনই ছিল দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের মূল উৎস। তিনি মনে করেন, বিগত দেড় দশকের গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, বিডিআর ট্র্যাজেডি এবং জুলাই গণহত্যার মতো ঘটনাগুলোর নেপথ্যে ওই সময়কার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের দায় রয়েছে।

ফারুকী তার লেখায় একটি জাতির মানসিক ক্ষত নিরাময় বা ‘হিলিং’-এর জন্য দুটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন—সুষ্ঠু বিচার এবং ইতিহাসের সঠিক সংরক্ষণ। তিনি জানান, মিউজিয়াম, ডকুমেন্টেশন বা রিপোর্টের মাধ্যমে সঠিক ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মের জন্য তুলে ধরা জরুরি। বিচার ও সত্য উদঘাটন ছাড়া কোনো জাতি মানসিকভাবে সুস্থ হয়ে সামনে এগোতে পারে না।

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, অপরাধীদের বিচার না করে যদি সবকিছু ভুলে যাওয়ার সংস্কৃতি চালু হয়, তবে তা নতুন অপরাধীদের উৎসাহিত করবে। মানুষের মনে জমে থাকা ক্ষোভ প্রশমিত করতে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অব্যবহৃত ৬টি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মাসুদ চৌধুরীর গ্রেপ্তারকে ‘ভালো সূচনা’ হিসেবে দেখছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

আপডেট সময় : ১২:২৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

বিতর্কিত ওয়ান-ইলেভেনের অন্যতম প্রধান কুশীলব মাসুদ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। একইসঙ্গে তিনি ওয়ান-ইলেভেনের পেছনের ঘটনাবলি এবং ২০০৮ সালের নির্বাচন নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে ফারুকী উল্লেখ করেন, ওয়ান-ইলেভেনই ছিল দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের মূল উৎস। তিনি মনে করেন, বিগত দেড় দশকের গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, বিডিআর ট্র্যাজেডি এবং জুলাই গণহত্যার মতো ঘটনাগুলোর নেপথ্যে ওই সময়কার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের দায় রয়েছে।

ফারুকী তার লেখায় একটি জাতির মানসিক ক্ষত নিরাময় বা ‘হিলিং’-এর জন্য দুটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন—সুষ্ঠু বিচার এবং ইতিহাসের সঠিক সংরক্ষণ। তিনি জানান, মিউজিয়াম, ডকুমেন্টেশন বা রিপোর্টের মাধ্যমে সঠিক ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মের জন্য তুলে ধরা জরুরি। বিচার ও সত্য উদঘাটন ছাড়া কোনো জাতি মানসিকভাবে সুস্থ হয়ে সামনে এগোতে পারে না।

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, অপরাধীদের বিচার না করে যদি সবকিছু ভুলে যাওয়ার সংস্কৃতি চালু হয়, তবে তা নতুন অপরাধীদের উৎসাহিত করবে। মানুষের মনে জমে থাকা ক্ষোভ প্রশমিত করতে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অপরিহার্য।