ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

নির্যাতনের দুই মাস পর অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন বৃদ্ধ এনতাজ আলী

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতনের শিকার প্রায় দুই মাস পর এনতাজ আলী (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন সকালে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। নিহত এনতাজ আলী উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের নুরনগর গ্রামের ওমেদ আলীর ছেলে ছিলেন।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৪ জানুয়ারি। জানা যায়, জমিজমা নিয়ে একই গ্রামের শেরে বাংলা, জাকারিয়া, হাবিব, রব্বেলসহ কয়েকজন ব্যক্তি এনতাজ আলীকে বাড়ি থেকে টেনে-হিঁচড়ে এনে একটি গাছের সাথে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে। এসময় এনতাজ আলীর স্ত্রী বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করে আহত করা হয়। স্থানীয়রা অসুস্থ অবস্থায় এনতাজ আলী ও তার স্ত্রীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এই মর্মান্তিক ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে এনতাজ আলীর ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে ভাঙ্গুড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নিহত এনতাজ আলীর সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে এবং সে অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরিজ বাঁচানোর মিশনে আজ কিউইদের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ

নির্যাতনের দুই মাস পর অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন বৃদ্ধ এনতাজ আলী

আপডেট সময় : ১০:৪২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতনের শিকার প্রায় দুই মাস পর এনতাজ আলী (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন সকালে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। নিহত এনতাজ আলী উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের নুরনগর গ্রামের ওমেদ আলীর ছেলে ছিলেন।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৪ জানুয়ারি। জানা যায়, জমিজমা নিয়ে একই গ্রামের শেরে বাংলা, জাকারিয়া, হাবিব, রব্বেলসহ কয়েকজন ব্যক্তি এনতাজ আলীকে বাড়ি থেকে টেনে-হিঁচড়ে এনে একটি গাছের সাথে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে। এসময় এনতাজ আলীর স্ত্রী বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করে আহত করা হয়। স্থানীয়রা অসুস্থ অবস্থায় এনতাজ আলী ও তার স্ত্রীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এই মর্মান্তিক ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে এনতাজ আলীর ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে ভাঙ্গুড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নিহত এনতাজ আলীর সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে এবং সে অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।