ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলায় উদ্যোগী হচ্ছেন অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের কাঠামোগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার দুপুরে জাদুঘর পরিদর্শনের পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, স্থাপনাটির ভূমিকম্প সহনশীলতা নিয়ে দীর্ঘদিনের একটি শঙ্কা রয়েছে, যা দ্রুত সমাধান করা জরুরি।

মন্ত্রী বলেন, এই স্থানটির নিচে বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে একটি ‘থ্রেড’ বহু দিন ধরেই আলোচিত। এখানে কাঠামোগত কিছু দুর্বলতা রয়েছে যা এখনই সমাধান করা প্রয়োজন। তিনি বিষয়টি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক এই স্থানে মৃত্যুবরণ করেছেন, তাই স্থানটির ঐতিহাসিক মূল্য অপরিসীম। তাই জাদুঘরের নিরাপত্তা, সংরক্ষণ ও আধুনিকায়ন—সবই অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী বলেন, এটি সাধারণ কোনো ভবন নয়, বরং দেশের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অধ্যায় এই জায়গার সঙ্গে জড়িত। তাই এর সংরক্ষণ, ভূমিকম্প সহনীয়তা এবং পর্যটনবান্ধব আধুনিকায়ন—সবই সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রাধিকার পাবে। তিনি জাদুঘরের আর্কাইভ, প্রদর্শনী ও ডিজিটাল সংরক্ষণব্যবস্থাও আরও আধুনিক করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এবং প্রয়োজনে নতুন ভবন বা সহায়ক কাঠামো নির্মাণের বিষয়েও আলোচনার কথা জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার পরিদর্শন: ডিসেম্বরের মধ্যে আংশিক সরবরাহের আশা প্রকাশ ঢাকা ওয়াসার এমডি

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলায় উদ্যোগী হচ্ছেন অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:৫০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের কাঠামোগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার দুপুরে জাদুঘর পরিদর্শনের পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, স্থাপনাটির ভূমিকম্প সহনশীলতা নিয়ে দীর্ঘদিনের একটি শঙ্কা রয়েছে, যা দ্রুত সমাধান করা জরুরি।

মন্ত্রী বলেন, এই স্থানটির নিচে বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে একটি ‘থ্রেড’ বহু দিন ধরেই আলোচিত। এখানে কাঠামোগত কিছু দুর্বলতা রয়েছে যা এখনই সমাধান করা প্রয়োজন। তিনি বিষয়টি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক এই স্থানে মৃত্যুবরণ করেছেন, তাই স্থানটির ঐতিহাসিক মূল্য অপরিসীম। তাই জাদুঘরের নিরাপত্তা, সংরক্ষণ ও আধুনিকায়ন—সবই অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী বলেন, এটি সাধারণ কোনো ভবন নয়, বরং দেশের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অধ্যায় এই জায়গার সঙ্গে জড়িত। তাই এর সংরক্ষণ, ভূমিকম্প সহনীয়তা এবং পর্যটনবান্ধব আধুনিকায়ন—সবই সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রাধিকার পাবে। তিনি জাদুঘরের আর্কাইভ, প্রদর্শনী ও ডিজিটাল সংরক্ষণব্যবস্থাও আরও আধুনিক করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এবং প্রয়োজনে নতুন ভবন বা সহায়ক কাঠামো নির্মাণের বিষয়েও আলোচনার কথা জানান।